
মার্কিন সেনাদের বলা হয়েছিল—ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ‘ঈশ্বরের ঐশ্বরিক পরিকল্পনার অংশ’
এসব প্রতিবেদন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে খ্রিষ্টান চরমপন্থার আশঙ্কাজনক বৃদ্ধির প্রমাণ দিচ্ছে।

এসব প্রতিবেদন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে খ্রিষ্টান চরমপন্থার আশঙ্কাজনক বৃদ্ধির প্রমাণ দিচ্ছে।

ইরান যুদ্ধ চান না অনেক মার্কিন সেনা

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের সংঘাতের পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমানে বেশ কিছু মার্কিন সেনা মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন রয়েছেন।

পোল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী সামরিক উপস্থিতি বজায় থাকবে বলে জানিয়েছেন পিট হেগসেথ।

ইরানে মার্কিন সেনা উদ্ধারকে ইস্টারের অলৌকিক ঘটনা বলে ট্রাম্পের বক্তব্যে ধর্ম-রাজনীতি মিশ্রণ নিয়ে বিতর্ক উঠেছে। সমালোচকরা যুদ্ধকে ধর্মীয় ছোঁয়া দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। কেয়ার ও গ্রিনসহ বিভিন্ন পক্ষ তীব্র সমালোচনা করেছে।

মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়ে আসছে ইরান।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা ও সম্পদের ওপর ইরানের হামলায় ব্যবহৃত প্রতিটি ড্রোন তাঁরা না–ও ভূপাতিত করতে পারেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা।

ইসলামাবাদে ১১ এপ্রিল শান্তি আলোচনার জন্য ইরান ১০ দফা প্রস্তাব দিয়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার, হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ, নিষেধাজ্ঞা বাতিলসহ কঠোর শর্ত রয়েছে। তেহরান এছাড়া যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ ও সম্পদ ফেরতেরও দাবি জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এ সেনাসদস্যের নাম গ্যানন কেন ভ্যান ডাইক

ট্রাম্প প্রশাসন ইরানে বিমান ও নৌবাহিনী পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনায় রাখছে।

১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে, ভিয়েতনাম যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র পুরুষদের বাধ্যতামূলকভাবে যুদ্ধে পাঠাতে নিয়োগ দিয়েছিল

ইরানে নিখোঁজ মার্কিন বিমান সেনা উদ্ধারে যুক্তরাষ্ট্রের ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে দুটি যুদ্ধবিমান অকেজো হয়। ইরানি বাহিনী ঘিরে ফেলায় মার্কিন সেনারা নিজেরাই বোমা মেরে সেগুলো ধ্বংস করে। গোপনীয় সরঞ্জাম শত্রুর হাতে না পড়ার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।