
মাউশি ভেঙে দুটি অধিদপ্তর: কাদের স্বার্থে এই পরিবর্তন
উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরকে কলেজ শিক্ষা অধিদপ্তর নামকরণের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার সংকোচনমুখী নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরকে কলেজ শিক্ষা অধিদপ্তর নামকরণের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার সংকোচনমুখী নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

আজ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে মইনুদ্দিন আল মাহমুদকে মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) করা হয়। তিনটি শর্তে তাঁকে মহাপরিচালক করা হয়েছে।

মহাপরিচালক নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদকে মহাপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্বসহ আর্থিক ক্ষমতা দেওয়া হলো।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) ছয় মাস ধরে নেতৃত্বহীন। অতিরিক্ত দায়িত্বের কর্মকর্তা বি এম আবদুল হান্নানকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এনসিটিবিতেও চেয়ারম্যানের অভাবে শিক্ষা প্রশাসনে সমস্যা দেখা দিয়েছে।

প্রায় ছয় মাস পর নিয়মিত মহাপরিচালক পেল মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

ছাত্রছাত্রীদের রাতে পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি–সম্পর্কিত পদক্ষেপ জানানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মাউশির বিভাজন মানে কেবল একটি প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস নয়, এর সঙ্গে নীতিনির্ধারণ, জনবল ব্যবস্থাপনা, বাজেট–কাঠামো, প্রশাসনিক ক্ষমতার বণ্টন এবং মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে মৌলিক পরিবর্তন যুক্ত।

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘বৈজ্ঞানিক লাইফস্টাইল ডেভেলপমেন্ট এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম’ বাস্তবায়নে ১০ দফা নির্দেশনা জারি করেছে মাউশি।

বাংলাদেশ ও চীন সরকারের উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের ফিজিবিলিটি স্টাডি বা সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে ১৫০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কাছে তথ্য চেয়েছে মাউশি।

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পবিত্র ঈদুল ফিতরের উৎসবভাতার জন্য নতুন নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা পূর্বনির্ধারিত ২৮ জুনের পরিবর্তে ১ জুলাই শুরু হবে।

শিক্ষাবিদ ও স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যালয়ে পৃথক ওয়াশব্লক না থাকলে তা শুধু স্বাস্থ্যঝুঁকিই তৈরি করে না; বরং শিক্ষার্থীদের গোপনীয়তা, স্বাচ্ছন্দ্য ও নিয়মিত উপস্থিতির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।