
‘আল্লাহর মাস’ মহররম: কিছু করণীয় ও বর্জনীয়
এসেছে একটি নতুন হিজরি বছর। নতুন বছরের শুরুই হচ্ছে এমন একটি মাস দিয়ে, যাকে রাসুল (সা.) ‘আল্লাহর মাস’ বলে অভিহিত করেছেন।

এসেছে একটি নতুন হিজরি বছর। নতুন বছরের শুরুই হচ্ছে এমন একটি মাস দিয়ে, যাকে রাসুল (সা.) ‘আল্লাহর মাস’ বলে অভিহিত করেছেন।

কারবালার ঘটনার বহু আগে থেকেই ইসলামে এই মাসকে ‘শাহরুল্লাহ’ বা ‘আল্লাহর মাস’ বলা হয়েছে। কিন্তু ১২টি মাসের মধ্যে শুধু এই মাসটিই এই মর্যাদা পেল কেন?

আগামীকাল বুধবার (১৭ জুন) পবিত্র মহররম মাস শুরু হচ্ছে। সেই হিসাবে ২৬ জুন (শুক্রবার) পালিত হবে পবিত্র আশুরা।

মহররম শব্দের অর্থ ‘সম্মানিত’। ইসলামি চান্দ্রবর্ষের প্রথম মাস হলো মহররম।

মহররম মাসের ১০ তারিখ—আশুরা। কারবালার বহু শতাব্দী আগে থেকেই এই দিন মানবসভ্যতার বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং একাধিক সংস্কৃতিতে বিশেষ গুরুত্ব বহন করত।

হিজরি বর্ষের প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখ পবিত্র আশুরা হিসেবেও পরিচিত। আরবি ‘আশারা’ শব্দের অর্থ দশ। আর আশুরা মানে দশম। মহররম অর্থ সম্মানিত।

৬১ হিজরির ১০ মহররম কারবালার প্রান্তরে হোসাইন (রা.) এমন কঠিন এক বাস্তবতার মুখোমুখি হন, যেখানে দৃশ্যমান বাস্তবতায় বিজয়ের সব পথ রুদ্ধ হয়ে গিয়েছিল।

একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, হিজরতের ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছিল রবিউল আউয়াল মাসে, তাহলে হিজরি বছরের প্রথম মাস হিসেবে মহররমকে নির্ধারণ করা হলো কেন?

যেকোনো অন্যায্য ব্যবস্থা টিকে থাকে মানুষের নীরব সম্মতির ওপর ভর করে। ইয়াজিদের ক্ষমতারোহণের সময় অধিকাংশ মানুষ নিরাপত্তার স্বার্থে বা বৈষয়িক কারণে চুপ ছিল।

আরবিতে ‘আশারা’ মানে দশ, আর ‘আশুরা’ অর্থ দশম তারিখ। পরিভাষায় মহররমের ১০ তারিখকে আশুরা বলা হয়।

হিজরির কারবালায় উমাইয়া শাসনযন্ত্র ঠিক একই ধরনের একটি সুপরিকল্পিত তথ্য নিয়ন্ত্রণ চালিয়েছিল। কারবালার ঘটনা ছিল রাষ্ট্রীয় অপপ্রচার বনাম সত্যের লড়াই।

ইতিহাসের সাপেক্ষে পড়লে একটি স্বাভাবিক প্রশ্ন ওঠে: মীর মশাররফ হোসেন কি ইতিহাস লিখেছিলেন, নাকি ইতিহাসের পটভূমিতে দাঁড়িয়ে একটি সাহিত্যিক কল্পনা গড়ে তুলেছিলেন?