
খেলাফতের রাষ্ট্রীয় হিসাব আর আব্দুল হামিদের সংস্কারের দিন
ওমর ইবনে আব্দুল আজিজের আমলে ২৯ রমজানে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের বার্ষিক হিসাব চূড়ান্ত করার রেওয়াজ ছিল। যাতে ঈদের আগেই দরিদ্রদের প্রাপ্য হক মিটিয়ে দেওয়া যায়।

ওমর ইবনে আব্দুল আজিজের আমলে ২৯ রমজানে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের বার্ষিক হিসাব চূড়ান্ত করার রেওয়াজ ছিল। যাতে ঈদের আগেই দরিদ্রদের প্রাপ্য হক মিটিয়ে দেওয়া যায়।

আইয়ুবি শিক্ষাব্যবস্থার সবচেয়ে বড় অর্জন ছিল—রাজকোষের বাইরে ওয়াকফ্ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে এমন একটা স্বনির্ভর শিক্ষাকাঠামো গড়া, যা শাসক বদলালেও টিকে থাকতে পারে।

উত্তর আফ্রিকা ও আন্দালুসের রাজদরবারে দীর্ঘ রাজনৈতিক টানাপোড়েনে বিপর্যস্ত হয়ে ৭৮৪ হিজরিতে ইবনে খালদুন মিসরে আশ্রয় নেন। জীবনের শেষ দুই দশক তিনি কাটান কায়রো শহরে।

ইসলামের স্বর্ণযুগে আলেমরা সমাজবিচ্ছিন্ন দরিদ্র গোষ্ঠী ছিলেন না। তাঁরা ছিলেন বাণিজ্যের সক্রিয় অংশীদার। অর্থনৈতিক স্বাধীনতাই তাঁদের জ্ঞানচর্চাকে শাসকের অনুগ্রহ থেকে মুক্ত রাখতে সহায়ক হয়েছিল।

রাজির চিন্তাধারা তাঁর ছাত্র ও পরবর্তী প্রজন্মের আলেমদের মাধ্যমে আইয়ুবি ও পরে উসমানীয় শিক্ষাব্যবস্থায় প্রভাব বিস্তার করে। মাদ্রাসা শিক্ষাক্রমেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হয়ে দাঁড়ায়।

যেকোনো অন্যায্য ব্যবস্থা টিকে থাকে মানুষের নীরব সম্মতির ওপর ভর করে। ইয়াজিদের ক্ষমতারোহণের সময় অধিকাংশ মানুষ নিরাপত্তার স্বার্থে বা বৈষয়িক কারণে চুপ ছিল।

হিজরির কারবালায় উমাইয়া শাসনযন্ত্র ঠিক একই ধরনের একটি সুপরিকল্পিত তথ্য নিয়ন্ত্রণ চালিয়েছিল। কারবালার ঘটনা ছিল রাষ্ট্রীয় অপপ্রচার বনাম সত্যের লড়াই।

অতীতে জমি বা দালান ওয়াক্ফ করে যদি নগরী গড়ে তোলা সম্ভব হয়, তাহলে আজকের ভার্চ্যুয়াল দুনিয়ায়, যেখানে দৃশ্যমান জমি নেই, সেখানে ওয়াক্ফ কেমন হবে?

আব্বাসীয় আমলে বাগদাদে কাগজ তৈরির কারখানা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এই প্রকাশনাশিল্প দ্রুত বিস্তার লাভ করে। আজকের প্রকাশকদের পূর্বসূরি ছিল এই ওয়াররাক সম্প্রদায়।

কর্দোবার অভিজাতদের অনুসরণে সাধারণ ধনাঢ্য নাগরিকদের মধ্যেও ব্যক্তিগত গ্রন্থাগার রাখার রীতি একপ্রকার সামাজিক মর্যাদার প্রতীক হয়ে উঠেছিল।

তিনি নিজেও বাজার পর্যবেক্ষণে বের হতেন। পাগড়ি মাথায়, লাঠি বা চাবুক হাতে তিনি মদিনার বাজারে বাজারে হাঁটতেন এবং অপরাধী দেখলে শাস্তি দিতেন।

পৃথিবীর নানা প্রান্তে কন্যাসন্তানকে বোঝা মনে করার মানসিকতা টিকে আছে। তাই প্রশ্নটা এখনো প্রাসঙ্গিক— ইসলাম কন্যাসন্তানের জন্য আসলে কী নিশ্চিত করেছিল?