
যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসতে ট্রাম্পকে যা করতে হবে
বর্তমান যুদ্ধের সময় দুই মাসের কম, স্থলযুদ্ধ প্রায় হয়নি বললেই চলে, বন্দী নেই, আর আলোচনায় আসতে হবে মূলত দুই পক্ষকেই। ফলে কূটনীতি কিছুটা সহজ মনে হতে পারে।

বর্তমান যুদ্ধের সময় দুই মাসের কম, স্থলযুদ্ধ প্রায় হয়নি বললেই চলে, বন্দী নেই, আর আলোচনায় আসতে হবে মূলত দুই পক্ষকেই। ফলে কূটনীতি কিছুটা সহজ মনে হতে পারে।

যে দলগুলো এ পর্যন্ত এককভাবে ক্ষমতায় যায়নি, তেমন একটি দলকে এবার ভোট দেওয়ার চিন্তা করছেন।

মিডিয়ায় ‘শিক্ষিকা’ শব্দের ব্যবহার কি শুধু সম্বোধন, নাকি লিঙ্গভিত্তিক সীমারেখা টানছে? লেখায় ভাষার রাজনীতি, ঐতিহ্য থেকে আধুনিক বিচ্যুতি এবং মিডিয়ার ভূমিকা তুলে ধরা হয়েছে। ড. রেজওয়ানা করিম জিজ্ঞাসা করেছেন, জ্ঞান কি লিঙ্গ চেনে?

বিহার, দিল্লি, আসাম ও পশ্চিমবঙ্গে জেতার পর বিজেপির ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে দক্ষিণ ভারতের দুটি অ-হিন্দি রাজ্য তামিলনাড়ু ও কেরালায়। এসবই নরেন্দ্র মোদির পক্ষে যাচ্ছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্পষ্ট ও নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে (বিএনপি) আন্তরিক অভিনন্দন।

জাতীয় যুবনীতি ২০০৭ অনুসারে, ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সীদের ‘যুব’ হিসেবে গণ্য করা হয়। সে হিসেবে এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটারের ৪২ শতাংশের বেশি ছিল তরুণ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই–তৃতীয়াংশের বেশি আসনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজয়ী হয়েছে বিএনপি।

২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিশাল জয় পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী। যারা এর আগের কোনো জাতীয় নির্বাচনে ১৭টির বেশি আসন পায়নি, তারা এবার জোট বেঁধে ৭৭টি আসন দখল করেছে।

বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোট যে বড় সাফল্য দেখিয়েছে, তা অস্বীকার করা যায় না।

বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হলো। বিচ্ছিন্ন কিছু সহিংসতা আর কয়েকটি দুঃখজনক মৃত্যুর ঘটনাকে বাদ দিলে সামগ্রিক চিত্র তুলনামূলকভাবে শান্তিপূর্ণ।

বহুপ্রতীক্ষার ১৩তম জাতীয় নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ হলো। স্বাধীনতার আগে এ অঞ্চলে পাঁচটি বড় নির্বাচন হয়। স্বাধীনতার পর হলো ১৩টি। এই ১৮টি নির্বাচনের মধ্যে সেরা ও কম বিতর্কিত ছিল ১৯৭০-এর নির্বাচন। সেটি ছিল নতুন সংবিধান প্রণয়নের নির্বাচন। এবারের নির্বাচনের শেষে যে সংসদ গঠিত হবে, তারও আরেক নাম সংবিধান সংস্কার পরিষদ। এই দুই নির্বাচনের মিলের দিক এটি। অন্য একটি মিলের দিক—উভয় নির্বাচনে ভোট গ্রহণ পর্যন্ত রক্তাক্ত সহিংসতা বেশ কম। ভোটকেন্দ্রগুলোতে ব্যাপক অনিয়মের কোনো উপস্থিতি ছিল বলে দেখা যায়নি।

ভোট তাই আর কেবল রাজনৈতিক পরিভাষা নয়—এটি নাগরিক আত্মসম্মানের ভাষা। মানুষ এবার উপলব্ধি করেছে, ভোট দেওয়া মানে কেবল প্রতিনিধি নির্বাচন নয়; এটি নিজের অস্তিত্ব, মত ও ভবিষ্যতের ওপর নিজের স্বাক্ষর রাখা। এবারের নির্বাচন তাই মানুষকে শুধু ভোটার বানায়নি; তাদের আরও সচেতন, আত্মমর্যাদাবান ও সক্রিয় নাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে।