
নোয়াখালীতে এক স্মরণীয় ভ্রমণ
নোয়াখালী ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা এই নিবন্ধে লেখক অরূপ পালিত পরিবারসহ ঈদের ছুটিতে নোয়াখালী ভ্রমণের বর্ণনা দিয়েছেন।

নোয়াখালী ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা এই নিবন্ধে লেখক অরূপ পালিত পরিবারসহ ঈদের ছুটিতে নোয়াখালী ভ্রমণের বর্ণনা দিয়েছেন।

তখন কে জানত, এই জগৎ যাদের—মানে লেপচারা (লেপচা জগৎ = লেপচাদের জগৎ), তারাই হচ্ছে এই তল্লাটের, মানে পুরো সিকিমের (দার্জিলিং একসময় যার অংশ ছিল, এর বিস্তারিত একটু পরেই বলব) সবচেয়ে আদি বাসিন্দা।

ঢাকায় এখন বেশ শীত, রোদের দেখা পাওয়া যায় না। কিন্তু এখানে সাত সকালে রোদ দেখা গেল।

সিরাজগঞ্জের নিমগাছি ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে নাটোরের গ্রিন ভ্যালি পার্কে শিকড়ের টানে অনুপম পিকনিক। প্রায় ১৪০ জনের মিলনে পুরোনো স্মৃতি ফিরে এল। লটারি, গান-আড্ডায় মেতে উঠল সবাই।

দিনভর তর্ক। নারী পুরুষ একসঙ্গে। রাত হলেই বিপদের শঙ্কা। এক দিনে কীভাবে ভ্রমণ সম্ভব? ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে প্রায় অসম্ভবও বটে। তা–ও নোট অব ডিসেন্ট রেখে হুটহাট সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তোমরা যতই বলো ‘খাতার গাট্টি’, তাতে আমার কিছুই যায় আসে না। প্রচণ্ড শীতে খাতা মুড়ি দিয়ে ডেকের কড়া লিকারের চায়ে টোস্ট বিস্কুট ডুবিয়ে খেতে চাই, ভাতের সঙ্গে ডাল-চড়চড়ি খেয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুলতে চাই।

একটি পরিবারের ২০ সদস্য ঈদে খাগড়াছড়ির বাবুছড়ায় বোনের বাসায় বেড়াতে যান। লিচু পাড়া, পুকুরে গোসল, জারুলছড়ায় সূর্যাস্ত ও দীঘিনালায় গানের আড্ডা ছিল।

সময় বাঁচাতে আমরা পতেঙ্গা থেকে দ্রুত সিএনজি নিয়ে ফ্লাইওভার হয়ে পৌঁছে গেলাম বহদ্দারহাট বাস টার্মিনালে।

সাত সদস্যের বেটুস সংগঠনটির লক্ষ্য শুধু ঘোরাঘুরি নয়। বেটুস চায় আবহমান বাংলার রূপ ও প্রকৃতি দেখতে, লোকসংস্কৃতি জানতে ও গ্রামীণ মানুষের জীবন ছুঁয়ে দেখতে। ভ্রমণ এখানে শুধু বিনোদন নয়; বরং ভ্রমণ মানে শেখা, বোঝা আর অনুভব করা। ভ্রমণ মানে সৃষ্টিকে দেখা। সৃষ্টির রহস্য জানা।

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী বাতিঘর, সমুদ্রসৈকত, লবণক্ষেত্র এবং হজরত মালেক শাহ (রহ.)-এর দরবার পরিদর্শনের ভ্রমণ বর্ণনা। লেখক তাঁর একদিনের যাত্রাপথ, স্থানীয় জীবনযাত্রা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তুলে ধরেছেন। এখানকার অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।

কেমন ছিমছাম করে সাজানো সবকিছু আর ভীষণ পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন। মজার বিষয় হলো, সুপারশপগুলোভর্তি বাংলাদেশি পণ্যে। আরও মজার বিষয় হলো, এসব দোকানের কর্মচারীগুলোর অনেকে বাংলাদেশি। প্রায় দেড় লাখ বাংলাদেশি মালদ্বীপে কাজ করেন। মালদ্বীপের মোট জনসংখ্যা প্রায় ৪ লাখ ৩৬ হাজার।

আইসাম্পলে এলাকায় অবস্থিত এই গির্জা ও আশপাশের মূল নির্মাণ এলাকার আয়তন আনুমানিক ৪,৫০০-৫,০০০ বর্গমিটার। গির্জার প্রধান ‘জিসাস টাওয়ার’-এর পরিকল্পিত উচ্চতা ১৭২.৫ মিটার।