
ভারত-ইসরায়েল ঘনিষ্ঠতা যে কারণে ‘ভালো বার্তা’ নয়
ভারত ও ইসরায়েলের সম্পর্ক এখন একটি দৃঢ় কৌশলগত অংশীদারত্বে রূপ নিয়েছে। প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, কৃষি ও সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতার মতো অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে এই সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।

ভারত ও ইসরায়েলের সম্পর্ক এখন একটি দৃঢ় কৌশলগত অংশীদারত্বে রূপ নিয়েছে। প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, কৃষি ও সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতার মতো অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে এই সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।

মোদির ইসরায়েল সফর কেন গুরুত্বপূর্ণ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালানোর পর থেকে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। এই প্রণালি দিয়ে ভারতের প্রায় ৪০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল আমদানি হয়।

৪ মার্চ ভোরে শ্রীলঙ্কার দক্ষিণে আন্তর্জাতিক জলসীমায় প্রবেশের পর এটি ভয়াবহ হামলার শিকার হয়। শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী এখন পর্যন্ত ৩২ জন নাবিককে জীবিত ও ৮০ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা হয়েছে।

‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ স্টিকার সাঁটানোর অভিযোগে এক ব্রিটিশ দম্পতিকে দেশটি ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের যুদ্ধে ভারত পক্ষ নিয়েছে ইসরায়েলের, ইরানের টর্পেডো ডুবিয়ে দেওয়া নিয়ে রয়েছে নিশ্চুপ, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হত্যার কোনো প্রতিক্রিয়াও জানায়নি।

২০১৪ সালে মোদি ক্ষমতায় আসার পর সম্পর্ক দ্রুত ঘনিষ্ঠ হয়। বর্তমানে এশিয়ায় চীনের পর ইসরায়েলের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার ভারত।

ইরানি যুদ্ধজাহাজটি ভারতে আয়োজিত নৌ মহড়ায় অংশ নিয়েছিল বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লি।

ইসরায়েল রাষ্ট্রের বয়স ছয় বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই ইয়েমেনি পরিবারের চার বছরের নিচের প্রতি আট শিশুর একজন নিখোঁজ হয়ে গেছে।

আজ বুধবার দুদিনের সফরে আবারও ইসরায়েল যাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি।

অবশেষে ভারত থেকে দেশে ফেরার বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দল।