
বেনজীর আহমেদের গ্রেপ্তার পুলিশের ঐতিহাসিক সাফল্য: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
দুর্নীতির মামলায় বেনজীর আহমেদকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

দুর্নীতির মামলায় বেনজীর আহমেদকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে এগিয়ে চলছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

২০২৪ সালের মে মাসে বেনজীর আহমেদ দেশ ছাড়ার পর অভিযোগ উঠেছিল, তৎকালীন সরকারের ‘সিগন্যাল’ পেয়েই তিনি দেশ ছেড়েছিলেন। বিমানবন্দরে তাঁকে আটকানো হয়নি।

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ।

দুবাইয়ে আবাসন ও সোনার ব্যবসায় বেনজীরের বিনিয়োগ আছে বলে সূত্রের দাবি। পুরোনো সহযোগীদের সঙ্গেই বেনজীরের দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারের পর তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

সাবেক আইজিপি বেনজীর দুবাইয়ে গ্রেপ্তার

পুলিশের শীর্ষ পদে থেকে বেনজীর আহমেদ দুর্নীতি ও অপরাধের যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন, সেটি প্রকৃতপক্ষেই ‘বে–নজির’।

দেশের একসময়কার সবচেয়ে ক্ষমতাধর পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন বেনজীর আহমেদ। পুলিশের শীর্ষ পদ তথা মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) দায়িত্ব পালন করেছেন দুই বছরের বেশি।

সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনার মধ্যে কিছু ভুয়া তথ্যও ছড়াচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, যা অনেকের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করেছে।
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বেনজীর আহমেদের গ্রেপ্তারের খবরসংবলিত একটি ফটোকার্ড শেয়ার করেন পরীমনি। তবে দীর্ঘ কোনো মন্তব্য না করে মাত্র একটি শব্দের মাধ্যমেই নিজের প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেন তিনি।

দুদকের করা ছয় মামলার মধ্যে তিনটিতে প্রধান আসামি বেনজীর আহমেদ। অন্য তিনটি মামলায় তিনি সহযোগী আসামি।