
আন্তর্জাতিক ও এশিয়া–প্যাসিফিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অলিম্পিয়াডের জন্য বাংলাদেশ দল ঘোষণা
তৃতীয় আন্তর্জাতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অলিম্পিয়াড (আইওএআই) ও এশিয়া–প্যাসিফিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অলিম্পিয়াডের (এপিওএআই) জন্য বাংলাদেশ দল ঘোষণা করা হয়েছে।

তৃতীয় আন্তর্জাতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অলিম্পিয়াড (আইওএআই) ও এশিয়া–প্যাসিফিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অলিম্পিয়াডের (এপিওএআই) জন্য বাংলাদেশ দল ঘোষণা করা হয়েছে।

বাংলাদেশের কর্মক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রথাগত চাকরি যেমন ডেটা এন্ট্রি ও কাস্টমার সার্ভিসে ঝুঁকি তৈরি করছে। অন্যদিকে ডেটা সায়েন্স ও সাইবার নিরাপত্তার মতো নতুন পেশার সৃষ্টি হচ্ছে।

দেশের বাজারে লেনোভোর তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির নতুন গেমিং ল্যাপটপ বাজারে এনেছে গ্লোবাল ব্র্যান্ড পিএলসি।

পডকাস্ট ইনডেক্সের তথ্য অনুযায়ী, নতুন পডকাস্টের প্রায় ৩৯ শতাংশ এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি হচ্ছে। বিশ্লেষকরা এসব অনুষ্ঠানকে ‘পডস্লপ’ বলে অভিহিত করছেন।

ডেটা সেন্টারের সার্ভারগুলোতে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়। এই তাপ কমাতে ব্যবহৃত কুলিং সিস্টেম পরিচালনায় লাখ লাখ লিটার বিশুদ্ধ পানির প্রয়োজন হয়।

বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা আজ এক অদ্ভুত সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। একদিকে প্রযুক্তির অভূতপূর্ব অগ্রগতি, তথ্যপ্রযুক্তির সহজলভ্যতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিস্তার

বাংলাদেশে এআই নিয়ে আগ্রহ ও কাজের পরিসর বাড়লেও প্রস্তুতি এখনো অসম।

এআই কখনোই চিকিৎসকের জায়গা নেবে না। বরং একটি স্বচ্ছ, ব্যাখ্যাযোগ্য এবং আলোচনাযোগ্য এআই হবে আগামী দিনের চিকিৎসকের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল সহকারী। আমাদের গবেষণা সেই বিশ্বাসের সেতু নির্মাণের চেষ্টাই করছে।

ড্যানিয়েল কোকোটাজলো গত এপ্রিলে ‘এআই ২০২৭’ শীর্ষক একটি সময়সীমা প্রকাশ করে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিলেন।

এরই মধ্যে এআই বহু নিয়মিত কাজ স্বয়ংক্রিয় করে ফেলেছে। আগে যেসব কাজে লাইন ম্যানেজারের অনেক সময় ব্যয় হতো, এখন সেগুলো দ্রুত ও কার্যকরভাবে সম্পন্ন হচ্ছে।

হরমুজ প্রণালীতে চলমান অবরোধ বিশ্ব অর্থনীতিকে এক গভীর সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ এলএনজি এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হওয়ায় এর অচলাবস্থা সরাসরি জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি করছে। তেলের দাম বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং সরবরাহ চেইনে ব্যাঘাত বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি বাড়িয়ে তুলছে। এর পাশাপাশি আধুনিক যুদ্ধ কৌশলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ড্রোন প্রযুক্তি এবং অ্যালগরিদম-নির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণ এই সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি শুধু সামরিক সংঘাত নয়, বরং অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত আধিপত্যের লড়াই। হরমুজ সংকট দীর্ঘায়িত হলে খাদ্য নিরাপত্তা, শিল্প উৎপাদন এবং বৈশ্বিক বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। ফলে এই সংকটের দ্রুত সমাধান এখন শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এআই দিয়ে বিশ্বে এই প্রথম টিকার নকশা করা হলো।