
মুক্তিযুদ্ধের শক্তি ও চৈতন্য উদ্বোধনের তাগিদ
একাত্তরে আমরা দেখেছি জনযুদ্ধ; বাংলাদেশের মানুষের এক মহান অভ্যুদয়; কতিপয় আলবদর–রাজাকার বাদে বাকি সব মানুষের সম্মিলিত অসামান্য প্রতিরোধ ও সৃষ্টির পর্ব—যা এখনো আমাদের সামনের মুক্তির লড়াইকে সাহস জোগায়।

একাত্তরে আমরা দেখেছি জনযুদ্ধ; বাংলাদেশের মানুষের এক মহান অভ্যুদয়; কতিপয় আলবদর–রাজাকার বাদে বাকি সব মানুষের সম্মিলিত অসামান্য প্রতিরোধ ও সৃষ্টির পর্ব—যা এখনো আমাদের সামনের মুক্তির লড়াইকে সাহস জোগায়।

কাফরুলের ইব্রাহিমপুর থেকে মিরপুর-১৪ নম্বর মোড়ের দিকে যেতে সড়ক বিভাজকের ওপর টানানো বেশ বড় আকারের দুটি রঙিন ব্যানার যে কারও চোখে পড়বে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের মানুষের পক্ষে অ্যালেন গিন্সবার্গ লিখেছিলেন তাঁর কিংবদন্তি কবিতা ‘সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড’। এ জন্য বাংলাদেশের হৃদয়ে তাঁর জন্য একটি বিশেষ আবেগ রয়েছে।

বাংলার ‘ভাবসম্পদ’ বলতে আমরা যদি কেবল সাহিত্য, সংগীত বা শিল্পকলার ভান্ডার বুঝি, তাহলে আমরা এই বিশেষ ধরনের সম্পদের চরিত্র, গভীরতা ও রাজনৈতিক তাৎপর্যকে সীমিত করে ফেলি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজির শিক্ষক থেকে তিনি আজ আমাদের সবার শিক্ষক, জাতির শিক্ষক। জাতীয় অধ্যাপক তিনি নন, তবু তিনি জাতির কিংবদন্তি শিক্ষক।

শুধু মহাসড়কেই নয়, ফেনী থেকে ছাগলনাইয়া হয়ে মধুগ্রাম পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশেও অসংখ্য ইটভাটা দেখা গেল।

সব মিলিয়ে তোফায়েল আহমেদের জীবন ছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের উত্থান-পতন, সম্ভাবনা ও সীমাবদ্ধতার এক প্রতিচ্ছবি।

বংশী নদী—যে নদী একসময় খরস্রোতা ছিল, আজ প্রায় মৃত। বর্ষা ছাড়া সেখানে স্রোত নেই, অনেক জায়গায় হেঁটেই পার হওয়া যায়।

আমাদের দেশে সংস্কৃতির আধুনিক ধারণার উদয়ের একটা উপনিবেশি পরম্পরা আছে। প্রাগাধুনিক সমাজে ধর্ম, রীতি, দেশাচার, আর্যত্ব, তমদ্দুন, তাহজিব, রসম, রেওয়াজ ইত্যাদির ধারণা থাকলেও হালে সংস্কৃতির ধারণা অপেক্ষাকৃত নতুন।

আর যদি বাঙালি মুসলমান সমাজের পক্ষ থেকে ধরি, তাহলে বলতে হয়, তিনি মুসলমানদের মধ্যে ‘বাঙালি’ পরিচয় উচ্চকিত করা অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব।

তিন হাজার বছরের ধারাবাহিক সভ্যতার উত্তরাধিকারী পারস্য বা ইরানের ক্ষেত্রে নববর্ষ উদ্যাপন একইভাবে সর্বজনীন ও আনন্দমুখর।

ষোলো শতকের লাইলি-মজনুর পরিবেশনাশৈলী পনেরো শতকের শাহ মুহম্মদ সগিরের ইউসুফ-জোলেখার মতো ছিল বলেই মনে হয়।