
কাবুলসহ আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলা
কাবুলসহ আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলা

কাবুলসহ আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলা

মিয়ানমারের রাখাইনে বিমান হামলা ও বিস্ফোরণে কাঁপছে বাংলাদেশের টেকনাফ সীমান্ত।

বড়দিনের হামলাগুলো সম্ভবত লাকুরাওয়া নামের তুলনামূলক নতুন একটি আদর্শিক সশস্ত্র গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। তবে এ গোষ্ঠীর প্রকৃত পরিচয় এবং আইএসআইএলের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক আছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

আফগানিস্তানের কয়েকটি এলাকায় বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান।

লেবাননে ১২০টির বেশি হামলায় নারী-শিশুসহ অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। নড়বড়ে হয়ে পড়েছে সাময়িক যুদ্ধবিরতি।

এ হামলা পাকিস্তান ও তালেবান শাসিত আফগানিস্তানের মধ্যে উত্তেজনার চরম বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

গাজা নগরীর শিফা হাসপাতালে কর্মকর্তারা শহরটির একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে বিমান হামলায় তিন শিশু ও দুজন নারী নিহত হওয়ার খবর জানিয়েছেন।

আগামী শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই হওয়ার কথা। এর মধ্যেও দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন জনপদে বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল।

আফগানিস্তানে হামলা চালিয়ে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ঠেকাতে বিফল পাকিস্তান।

চলমান এই সংঘাতের ময়দানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল উভয় দেশই এফ-৩৫ ব্যবহার করছে। এসব যুদ্ধবিমানের একেকটির নির্মাণে ব্যয় হয় ১০ কোটি ডলারের বেশি।

২০০৩ সালে ইরাক হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বেশি সামরিক শক্তির উপস্থিতি।

আয়াতুল্লাহ খামেনিকে প্রথমে মার্চ মাসে দাফনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় সেই পরিকল্পনা পিছিয়ে দেওয়া হয়।