
বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে জ্বালানি নেই, বিপুল বকেয়ার মধ্যে এসে পড়েছি: বিদ্যুৎমন্ত্রী
নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভাড়া বেড়ে ৪২ হাজার কোটি টাকা

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। উৎপাদন শুরু করতে প্রথম ইউনিটের জন্য কমিশনিং লাইসেন্স পেল রূপপুর বিদ্যুৎ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।

বাংলাদেশের পানির নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের মেঘনা ঘাটে জেরা মেঘনা ঘাট পাওয়ার লিমিটেডের ক্যানটিনে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে ১২ জন দগ্ধ। আজ বুধবার বেলা একটার দিকে ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে কোনো সোলার প্যানেল নেই, নেই কোনো বিশাল উইন্ড টারবাইন। জীবাশ্ম জ্বালানির তো কোনো নামগন্ধই নেই।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রযুক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে আমি প্রায় দুই দশকের বেশি সময় ধরে কাজ করছি।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি জ্বালানি খাতে বড় ধরনের বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এ প্রেক্ষাপটে পাবনার রূপপুরে নির্মাণাধীন ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি পারমাণবিক চুল্লি থেকে দ্রুত বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে ২০২৩ সালে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট এবং পরের বছর দ্বিতীয় ইউনিট থেকে আরও ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা ছিল। কিন্তু প্রকল্পটি নির্ধারিত সময়সূচি থেকে ইতিমধ্যে তিন বছরেরও বেশি পিছিয়ে গেছে। এই বিলম্বের কারণে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা রাশিয়ার রোশাটমকে বাংলাদেশকে বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ১০ থেকে ১২ কোটি টাকার অতিরিক্ত সুদ পরিশোধ করতে হচ্ছে।

বকেয়া পাওনার দাবিতে আজ সোমবার সংবাদ সম্মেলন করে এই প্রস্তাব দেয় বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালিকদের সংগঠন বিআইপিপিএ।

জাহেদ উর রহমান রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র, গণমাধ্যম তথ্য, অর্থনৈতিক প্রকল্প ও নিরাপত্তা বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন।

বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, আগের সরকারের চুক্তিগুলোর কারণে আর্থিক বোঝা বাড়ছে। সরকার আইনি পর্যালোচনার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছে।