
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সরকারি শিক্ষানীতির প্রতিবাদে ১৮ জুন ঢাকায়, ১৯ জুন দেশজুড়ে বিক্ষোভ ডেকেছে।
বৈঠকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক সরকারের প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত, নৃত্য ও নাট্যকলাকে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা করেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক সরকারের প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত, নৃত্য ও নাট্যকলাকে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা করেন।

দলটির বিবৃতিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের বক্তব্য কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও অন্যদিকে স্পিকার নিজেই একই বিষয়ে অজ্ঞতাপ্রসূত ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করেছেন।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের বিবৃতিতে মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ববি হাজ্জাজের বক্তব্যকে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করা হয়।

জামায়াতে ইসলামীসহ সমমনা আটটি ইসলামি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে নির্বাচন।

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে নিজ দলের মনোনীত প্রার্থী মাওলানা খায়রুল ইসলাম ঠাকুরকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।

সব দল পিছিয়ে গেলেও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস প্রয়োজনে একাই জনগণের দুয়ারে যাবে বলে জানিয়েছেন দলের আমির মামুনুল হক।

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও চলমান বিভিন্ন সংকট নিরসনের দাবি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের।

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং আল্লামা মামুনুল হকের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নির্বাচনী আসন সমঝোতায় থাকবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। আসন বণ্টন বিষয়ে অসন্তোষ থেকেই এই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

গণভোটের রায় কার্যকর করার দাবিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ৯ এপ্রিল দেশব্যাপী বিক্ষোভ এবং ২৪ এপ্রিল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণসমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে। দলের আমির মাওলানা মামুনুল হক বিএনপিকে গণভোটের রায় অমান্য করার অভিযোগ করেছেন। বৈঠকে দলের নেতারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সংসদ সদস্যদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন স্পিকার। তিনি বলেন, যার পক্ষে এখানে এসে নিজেকে ‘ডিফেন্ড’ করা সম্ভব নয়, তার উদ্দেশে কোনো বিরূপ মন্তব্য করবেন না।

ইসলামী আন্দোলন জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় ফাঁকা হওয়া ৪৭টি আসন ১০ দলের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতেই বণ্টন হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীরের হত্যায় খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। তিনি আইনের হাতে নেওয়া এবং সহিংসতা নিন্দা করেছেন। ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্রও ঘটনাকে আইনশাসনের অভাবের ফল হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।