
কেয়া পায়েল বিয়েতে নিজেকে কেমন সাজে দেখতে চান
‘এটা আমাদেরই গল্প’ নাটকটির মেহরিন চরিত্রের জন্য বেশ প্রশংসা পাচ্ছেন অভিনেত্রী কেয়া পায়েল। সম্প্রতি বর্ণিল বিয়ে ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে বউ সেজেছেন এই অভিনেত্রী।

‘এটা আমাদেরই গল্প’ নাটকটির মেহরিন চরিত্রের জন্য বেশ প্রশংসা পাচ্ছেন অভিনেত্রী কেয়া পায়েল। সম্প্রতি বর্ণিল বিয়ে ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে বউ সেজেছেন এই অভিনেত্রী।

১৯৯৪ সালে মিজানুর রহমান যখন বিয়ে করেন, স্ত্রীর জন্য দুই ভরি সোনা কিনে পছন্দমতো নকশায় গয়না গড়ে দেন—হাতের রুলি, কানের দুল, আংটি।

চার দেয়ালে বন্দী কমিউনিটি সেন্টারের বদলে এখন শহরের রুফটপ রেস্তোরাঁয় বিয়ের আয়োজনই ট্রেন্ডি। বিশেষ করে ঢাকা শহরে বিষয়টি বেশি চোখে পড়ছে।

এখন সময় বদলেছে, বদলেছে গায়েহলুদের আয়োজনও। আজকাল অনেক ক্ষেত্রেই দুটি আলাদা হলুদের অনুষ্ঠান না করে নবদম্পতির একসঙ্গে গায়েহলুদের আয়োজন দেখা যায়।

দোকান থেকে না কিনে বাড়িতেই মান ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে তৈরি করতে পারেন বেকিং খাবার। শিশুর টিফিনে দিতে পারেন নাটি ক্রিম কোন।

কনের গয়নায় সবচেয়ে বড় যে পরিবর্তন চোখে পড়ে, তা হলো ভারী হওয়ার প্রতিযোগিতা থেকে ধীরে ধীরে সরে আসা।

পোশাক থেকে হেয়ারস্টাইল, সাজগোজ—সবকিছুতেই তারা চায় নিজের মতো কিছু করতে। বাদ যায় না বিয়েবাড়িও।

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালে ঢাকার মেয়ে গীতিআরার প্রেমে পড়েন সিলেটের ছেলে নাজিম কামরান। বিয়ে করে একই ছাদের তলায় অর্ধশত বছরের বেশি সময় কাটিয়ে দিয়েছেন তাঁরা।

সেকালের মেকআপ, চুলের স্টাইল, গয়নার নকশা থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে একালের কনে সাজলে কেমন লাগবে তাই দেখার চেষ্টা করেছি আমরা।

আবহমান গ্রামবাংলায় বিয়ের গানের ঐতিহ্য বহু পুরোনো। ঢোল, খোল, করতাল আর একতারা হাতে নিয়ে নারীরা দল বেঁধে গাইতেন বিয়ের গান।

বিয়েতে হোক বা সাধারণ দিনে—মেহেদিতে হাত রাঙানোর চল বহু পুরানো। ছুটির দিনে বাসায় বসে হাতে মেহেদির নকশা করতে পারেন।

এই সময়ের বরেরা একেক অনুষ্ঠানে একেক ধরনের পোশাক পরেন। দিনের কোন অংশে অনুষ্ঠান হচ্ছে, সেটাও মাথায় রাখতে হয় পোশাক নির্বাচন করার আগে।