
মোংলায় কোস্টগার্ড স্টেশনে হামলায় দস্যু-সহযোগীদের সম্পৃক্ততার সন্দেহ
সুন্দরবনে সক্রিয় সব বনদস্যু-জলদস্যু বাহিনী নির্মূলসহ জেলে-বাওয়ালি-মৌয়াল-বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের নির্দেশনায় কোস্টগার্ডের নেতৃত্বে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

সুন্দরবনে সক্রিয় সব বনদস্যু-জলদস্যু বাহিনী নির্মূলসহ জেলে-বাওয়ালি-মৌয়াল-বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের নির্দেশনায় কোস্টগার্ডের নেতৃত্বে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

আজ বৃহস্পতিবার সুন্দরবনের ‘বনদস্যু ছোট সুমন বাহিনী’র প্রধানসহ সাত সদস্য কোস্টগার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন।

বাংলাদেশ কোস্টগার্ড সুন্দরবনে অস্ত্রসহ জোনাব বাহিনীর তিন সদস্যকে আটক করেছে।

সুন্দরবনের কথিত বনদস্যু ‘দুলাভাই বাহিনী’র বিরুদ্ধে কোস্টগার্ডের অভিযানের ঘটনায় হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও অস্ত্র আইনে পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।

সুন্দরবনে মুক্তিপণের দাবিতে বনদস্যু দয়াল বাহিনী ও বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর হাতে জিম্মি থাকা ২১ জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড।

সুন্দরবনে অভিযান চালিয়ে বনদস্যু করিম-শরীফ বাহিনীর দুই সদস্যকে আটক করেছে কোস্টগার্ড। এ সময় জিম্মি থাকা চার জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

সুন্দরবনে আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও বনদস্যুতা দমনে কোস্টগার্ডের নেতৃত্বে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ পরিচালিত হচ্ছে বলে জানান জিয়াউল হক।

সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জ এলাকায় মাছ ও কাঁকড়া শিকার শেষে ফেরার পথে ছয় জেলেকে অপহরণ করেছে বনদস্যুরা। অপহৃত ব্যক্তিদের মুক্তির জন্য মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তাঁদের স্বজনেরা।

সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে বনদস্যুরা আট বনজীবীকে অপহরণ করে ২০-৪০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে। গতকাল চুনকুড়ি নদী এলাকায় ঘটনা ঘটে। কর্তৃপক্ষ জানায়, কোনো অভিযোগ না এলে তদন্ত করা কঠিন।

সুন্দরবনের সিঙারটেকে বনদস্যুদের সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনায় বনরক্ষীরা পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে চার জেলকে উদ্ধার করেছে। দস্যুরা পালিয়ে যায়, ট্রলার ও অস্ত্র জব্দ হয়। কোনো হতাহত হয়নি।

সুন্দরবনে মধু সংগ্রহকারী ১৩ মৌয়ালকে বনদস্যুরা নির্যাতন করে মুক্তিপণ নিয়েছে। দস্যুমুক্ত ঘোষিত এলাকায় আবার অপরাধী চক্রের উত্থান উদ্বেগজনক। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সমন্বিত অভিযান ও তদন্তের মাধ্যমে জেলে-মৌয়ালদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

সুন্দরবনে বাঘের সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে ফেরা বনজীবী ঈমান আলী এখন বনদস্যুদের ভয়ে জীবিকার একমাত্র অবলম্বন সেই বনে যেতে পারছেন না।