
বজ্রপাত থেকে বাঁচায় ‘কৃষক ছাউনি’, তবু কেন সংখ্যা বাড়েনি
চারদিকে ফাঁকা ফসলের মাঠ। সদ্য কাটা হয়েছে বোরো ধান। প্রখর রোদে একটি গোলঘরে বসে আছেন কয়েকজন যুবক।

চারদিকে ফাঁকা ফসলের মাঠ। সদ্য কাটা হয়েছে বোরো ধান। প্রখর রোদে একটি গোলঘরে বসে আছেন কয়েকজন যুবক।

ক্রিকেটে ব্যাটিং দলের খেলোয়াড়দের দীর্ঘ সময় ড্রেসিংরুমে বসে থাকার অভ্যাস আছে। কিন্তু ফুটবলে বিষয়টা ভিন্ন

বাংলাদেশে বজ্রপাত এপ্রিলে তীব্র হয়, আর মে মাসে পৌঁছায় সর্বোচ্চ পর্যায়ে। এরপর জুন-জুলাইয়ে কমতে শুরু করে। এভাবে বজ্রপাতে প্রতিবছর কয়েক শ মানুষের মৃত্যু হলেও তা কমাতে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই।

এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা তাপপ্রবাহের পর আজ রোববার ঢাকাসহ রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট বিভাগের কিছু স্থানে বৃষ্টি হয়েছে। সঙ্গে ছিল বজ্রপাত।

পূর্বাভাস তৈরি করাই শেষ কথা নয়। আসল কাজ হলো, সেই বার্তা দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছানো এবং তাকে নিরাপদ আচরণে উৎসাহিত করা।

রোববার বিকেল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রপাতে এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। তিনজন করে মারা গেছেন নরসিংদী ও সাভারে।

কুষ্টিয়ার খোকসায় মাঠে ধানের আঁটি গোছাতে গিয়ে বজ্রপাতে কৃষক হজরত আলীর মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে বাবার মরদেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়ে তাঁর দুই শিশুসন্তান।

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মায়াধরপুর গ্রামে বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় বজ্রপাতে মাঠে থাকা চারটি গরু মারা গেছে।

জামালপুর ও নেত্রকোনায় শুক্রবার বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। জামালপুর সদরের ফারুক আহামেদ, মাদারগঞ্জের মজনু মিয়া এবং নেত্রকোনার কেন্দুয়ার এনামুল হক প্রাণ হারান। নেত্রকোনায় চলতি বছর বজ্রপাতে আটজন মারা গেছেন।

প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ও মুক্তকণ্ঠের উদ্যোগে ‘বজ্রপাতের ঝুঁকি হ্রাস: কমিউনিটিভিত্তিক আগাম সতর্কবার্তা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়

বিশেষজ্ঞরা বলেন, বজ্রপাতের শব্দ শোনা মানেই আপনি বিপৎসীমার মধ্যে আছেন।

অসুস্থ শিক্ষার্থীদের প্রথমে স্থানীয় একটি কমিউনিটি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে মোট ১১ জন শিক্ষার্থীকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।