
রুমিন ফারহানার প্রকাশিতব্য বই থেকে
উনি তখন ২০০ বছরের পুরোনো সেই বিশাল কারাগারের একমাত্র রাজনৈতিক বন্দী।

উনি তখন ২০০ বছরের পুরোনো সেই বিশাল কারাগারের একমাত্র রাজনৈতিক বন্দী।

কাতারের আওকাফ মন্ত্রণালয় থেকে গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছে, যা ইতোমধ্যে হয়ে উঠেছে সিরাত সাহিত্যের অনিবার্য পাঠ। বিশুদ্ধ বর্ণনার বাইরে এতে কিছুই স্থান দেওয়া হয় নি।

ইতিহাসের সাপেক্ষে পড়লে একটি স্বাভাবিক প্রশ্ন ওঠে: মীর মশাররফ হোসেন কি ইতিহাস লিখেছিলেন, নাকি ইতিহাসের পটভূমিতে দাঁড়িয়ে একটি সাহিত্যিক কল্পনা গড়ে তুলেছিলেন?

ইমাম ইবনে রজব তাঁর কিতাবটি শেষ করেছেন তওবার আলোচনার মাধ্যমে। তিনি একে অভিহিত করেছেন ‘জীবনের সব সময়ের আমল’ হিসেবে। মানুষ তওবার মাধ্যমে আমলনামা পরিচ্ছন্ন করে।

ওসমানিয়া শাসকরা মূলত সুলতান হিসেবে পরিচিত ছিলেন। যদিও পরবর্তীকালে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে মুসলমানরা অনেকেই তাঁদেরকে খলিফা ও ওসমানিয়া সাম্রাজ্যকে ওসমানিয়া খিলাফত হিসেবে অভিহিত করেছেন।

জুওয়াইনি এমন এক রাজনৈতিক দর্শনের অবতারণা করলেন, যা ভবিষ্যতের সম্ভাব্য বিপর্যয় বা ‘রাষ্ট্রহীন অবস্থা’ কল্পনা করে তার আইনি কাঠামো তৈরি করে রাখে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বছরে গড়ে মাত্র দুই-তিনটি বই প্রকাশিত হয়েছে।

মেলা থেকে বই কিনেছে শিশুরাও। কেউ ভূতের বই, কেউ সায়েন্স ফিকশন, কেউ কিনেছে পশুপাখির গল্পের বই।

গরমের ছুটি মানেই আরাম করে বই পড়ার সময়। এমন কিছু গল্প, যেগুলো বই শেষ হওয়ার পরও মাথায় রেশ থেকে যাবে। সেই ভাবনা থেকে এ গ্রীষ্মের কিছু সেরা নতুন বই বেছে নিয়েছেন সমালোচকেরা। তালিকায় আছে রাজনৈতিক ব্যঙ্গ, পারিবারিক গল্প, জলবায়ু সংকট নিয়ে উপন্যাস ও থ্রিলার।

প্রথমা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত এই বইটিকে কেন্দ্র করেই ছিল সাহিত্যের এই আড্ডার আয়োজন। আয়োজন করেছিল রাবেয়া খাতুন ফাউন্ডেশন।

জুওয়াইনি শিখিয়েছেন যে খেলাফত কেবল একটি ‘নাম’ নয়, এটি একটি ‘কাজ’। যদি খেলাফত না থাকে, তবে বাস্তবসম্মত প্রশাসনিক কাঠামো তৈরি করা ইসলামের বিরোধী নয়।

স্বপ্নে দেখেন, কেউ তাঁকে জ্ঞানান্বেষণের নির্দেশনা দিচ্ছে। জানতে চান, কোথায় গেলে জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন। তাঁকে মক্কার দিকে ইশারা করে দেখিয়ে নির্দেশদাতা অদৃশ্য হয়ে যান।