
জিলহজ মাসের ফজিলত ও আমল: ইবাদতের সেরা সময়
জিলহজ মাস হজের প্রধান মাস, যার ৮ থেকে ১২ তারিখে হজের মূল কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এই মাসে রোজা, তাকবির, কোরবানি ও বিভিন্ন ইবাদতের বিশেষ ফজিলত রয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর হাদিসের আলোকে এর আমলগুলো জানুন।

জিলহজ মাস হজের প্রধান মাস, যার ৮ থেকে ১২ তারিখে হজের মূল কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এই মাসে রোজা, তাকবির, কোরবানি ও বিভিন্ন ইবাদতের বিশেষ ফজিলত রয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর হাদিসের আলোকে এর আমলগুলো জানুন।

মহররম শব্দের অর্থ ‘সম্মানিত’। ইসলামি চান্দ্রবর্ষের প্রথম মাস হলো মহররম।

সিয়াম সাধনার মাস রমজান; তাকওয়ার মাস রমজান। সিয়াম হলো ‘সওম’–এর বহুবচন।

‘মদিনা মুনাওয়ারা’ হলো প্রিয় নবীজি (সা.)-এর প্রিয় শহর; শান্তির নগর। মদিনার পূর্ব নাম ইয়াসরিব। নবীজি (সা.)-এর হিজরতের পর এই স্থানের নাম হয় মদিনাতুন্নবী বা নবীর শহর।

কোরবানি শব্দের অর্থ নৈকট্য লাভ করা, ত্যাগ ও তিতিক্ষা প্রদর্শন করা। অর্থাৎ আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ত্যাগের মাধ্যমে তাঁর নৈকট্য অর্জনই হলো কোরবানি।

শাওয়াল হলো আরবি চান্দ্রবর্ষের দশম মাস। এটি হজের তিন মাসের (শাওয়াল, জিলকদ, জিলহজ) প্রথম মাস।

সাহ্রি শব্দের অর্থ শেষরাতের খাবার। রোজা ও রমজানের অতি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ সাহ্রি।

ইফতার অর্থ উপবাস ভঞ্জন। ভোর থেকে সারা দিন ‘সাওম’ পালন শেষে রোজাদার সূর্যাস্তের পর প্রথম যে পানাহারের মাধ্যমে উপবাস ভঞ্জন করেন, তাকে ‘ইফতার’ বলা হয়।

মূলত আল্লাহ তাআলা প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব ১০ গুণ বাড়িয়ে দেন। সেই হিসেবে তিনটি রোজার সওয়াব ৩০টি রোজার সমান হয়ে যায়।

জিলহজের প্রথম দশকের বিশেষ ফজিলত রয়েছে। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে জিলহজের প্রথম ১০ রাতের কসম করে এই দশকের গুরুত্ব মহিমান্বিত করেছেন,

নামাজ মানুষের জীবন সুন্দর ও আলোকিত করে। নামাজ সফল মুমিনের প্রধান গুণ। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই সফলতা লাভ করেছে মুমিনগণ, যারা নামাজে আন্তরিকভাবে বিনীত।’

সুরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াতটিকে আয়াতুল কুরসি বলা হয়। এই আয়াতকে মহানবী (সা.) বলেছেন পবিত্র কোরআনের শ্রেষ্ঠ আয়াত।