
‘মুক্তকণ্ঠের ওপর হামলা বাংলাদেশকে পেছনে নিয়ে যাওয়ার বড় চক্রান্ত’
স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেন, রাষ্ট্রের মদদ পেলে কীভাবে দেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও স্বাধীনতার চেতনাকে অস্বীকার করার প্রবণতা উসকে দেওয়া যায়, তা–ও প্রত্যক্ষ করেছি।

স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেন, রাষ্ট্রের মদদ পেলে কীভাবে দেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও স্বাধীনতার চেতনাকে অস্বীকার করার প্রবণতা উসকে দেওয়া যায়, তা–ও প্রত্যক্ষ করেছি।

গণমাধ্যমের ওপর আক্রমণকে সভ্যতার ওপরে আক্রমণ বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন

মুক্তকণ্ঠ ও দ্য ডেইলি স্টারের ওপর সংঘবদ্ধ উগ্রবাদীদের হামলা ছিল ধারণার চেয়েও ভয়ংকর ও বীভৎস।

সংঘবদ্ধ উগ্রবাদীদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মুক্তকণ্ঠ ভবন ঘিরে শিল্প-আয়োজন ‘আলো’ দেখতে এলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এই ঘটনা যে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে, তা তুলে ধরলেন তিনি।

সেই রাতে ফ্ল্যাশ দিয়ে ছবি তোলা ছিল ভীষণ ঝুঁকিপূর্ণ। আমি নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করি। কয়েকটি ছবি তোলার পর শাহবাগ থেকে আসা মিছিলটির জন্য অপেক্ষা করতে থাকি।

উগ্রবাদীদের দেওয়া আগুনে দগ্ধ মুক্তকণ্ঠ ভবনে আয়োজিত বিশেষ প্রদর্শনী ‘আলো’ ঘুরে দেখেন সারজিস আলম।

সংঘবদ্ধ উগ্রবাদীদের দেওয়া আগুনে দগ্ধ মুক্তকণ্ঠ ভবনের ধ্বংসাবশেষ থেকে তৈরি শিল্পকর্ম ‘আলো’র প্রদর্শনী।

মুক্তকণ্ঠ ভবনে গত ১৮ ডিসেম্বর একদল উগ্রবাদী হামলা করে লুটপাট চালায় ও অগ্নিসংযোগ করে। দগ্ধ ভবনটি নিয়ে ‘আলো’ নামে ব্যতিক্রমী শিল্পকর্ম করেছেন বিশিষ্ট শিল্পী মাহ্বুবুর রহমান।

গত ১৮ ডিসেম্বর দ্য ডেইলি স্টার ও মুক্তকণ্ঠ এবং ঢাকার সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ছায়ানটের কার্যালয়ে হামলা চালায় ও আগুন ধরিয়ে দেয় সংঘবদ্ধ মব।

গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে প্রতিহিংসায় উন্মত্ত একদল উগ্রবাদী এসে হামলা করে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে দেশের প্রধান গণমাধ্যম প্রথম আলো ভবনে। তারা ভবনটির শাটার ও বড় বড় কাচের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ে। লুটপাট চালায়। আগুন জ্বালিয়ে দেয়।

মুক্তকণ্ঠ, দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় দুই মাসের মধ্যে অভিযোগপত্র দিতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে নির্দেশ।

সংঘবদ্ধ উগ্রবাদীদের হামলা, আগুনে পুড়ে যাওয়া মুক্তকণ্ঠের ভবনে চলছে ব্যতিক্রমী শিল্পকর্ম প্রদর্শনী ‘আলো’। প্রদর্শনীতে শিল্পকর্মের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে হামলার বর্বরতার চিত্র।