
পৃথিবী কেন কখনোই একসঙ্গে খরাকবলিত হয় না
কোনো কোনো বছর একাধিক মহাদেশজুড়ে শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করলেও পুরো পৃথিবী কিন্তু কখনোই একসঙ্গে খরাকবলিত হয় না।

কোনো কোনো বছর একাধিক মহাদেশজুড়ে শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করলেও পুরো পৃথিবী কিন্তু কখনোই একসঙ্গে খরাকবলিত হয় না।

প্রায় ৪২ হাজার বছর আগে একটি বিশাল গ্রহাণুর আঘাতে গর্তটি তৈরি হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পৃথিবী কেন প্রাণের উপযোগী আর অন্য পাথুরে গ্রহ কেন নয়, তা জানতে কয়েক দশক ধরেই চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা।

‘বিশাল শূন্যতার মহাকাশ মাঝেমধ্যেই আমাদের অনেক ভাবনাকে বদলে দেয়।’

রাতের প্রসববেদনায় নতুন এক সূর্য সেদিন উঠেছিল ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলের আকাশে। লোকে সাধ করে নাম রাখে, ‘লা রেমোতান্দা’।

বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষের পেছনে রয়েছে এই অকুতোভয় নারী উদ্ভাবকদের মেধা।

পৃথিবী কীভাবে প্রাণ ধারণের উপযোগী হয়ে উঠেছে এবং কীভাবে এখানে প্রাণ ধারণের প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো এসেছে, তা বিজ্ঞান–দুনিয়ায় এখনো এক অমীমাংসিত রহস্য।

পৃথিবীর ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মাইল গভীরে, প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে থাকা তরল বহিঃকেন্দ্রের গলিত লোহার একটি বিশাল স্রোত বা নদী নিজের গতিপথ পরিবর্তন করে বিজ্ঞানীদের চমকে দিয়েছে।

উষ্ণতা বাড়ছে, সংকুচিত হচ্ছে নিরাপদ কার্বন বাজেট।

পৃথিবীর ঘূর্ণন গতি কমে যাওয়ার বর্তমান হার গত ৩৬ লাখ বছরের ভূতাত্ত্বিক ইতিহাসে সম্পূর্ণ নজিরবিহীন।

পৃথিবীর দিকে প্রলয়ংকর সুপার এল নিনো ধেয়ে আসছে বলে সতর্ক করেছেন জলবায়ুবিজ্ঞানীরা।

বিজ্ঞানীদের মতে, ম্যান্টলের নিচে লুকিয়ে থাকা বিশাল এই কাঠামোগুলো দীর্ঘ সময় ধরে পৃথিবীর ম্যাগনেটোস্ফিয়ারের গতিপ্রকৃতি নির্ধারণ করে আসছে।