
পশ্চিমবঙ্গে বেশি ভোট পড়ার সুবিধা কারা পেতে পারে, কী বলছে তৃণমূল-বিজেপি
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় অবিশ্বাস্য হারে ভোট পড়েছে। দুই প্রধান দল তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি এই ভোট পড়াকে তাদের জয়ের সুস্পষ্ট ইঙ্গিত বলে দাবি করছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় অবিশ্বাস্য হারে ভোট পড়েছে। দুই প্রধান দল তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি এই ভোট পড়াকে তাদের জয়ের সুস্পষ্ট ইঙ্গিত বলে দাবি করছে।

নির্বাচনের ৯ দিন বাকি থাকতে মঙ্গলবার প্রথম পশ্চিমবঙ্গে এলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।

এই অনিশ্চিত আবহের চিত্র ধরা পড়েছে বিভিন্ন জরিপের ফলাফলেও। ভোট গ্রহণের দুই দিন আগেও কেউ নিশ্চিত নয় কে জিতবে কে হারবে।

২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন শুধু তৃণমূল কংগ্রেস আর ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) মধ্যে সাধারণ রাজনৈতিক লড়াই ছিল না। এই নির্বাচন এক অন্যরকম পরিস্থিতির ছবি দেখিয়েছে। এখানে রাজ্যের নির্বাচিত সরকারের শাসক দল তৃণমূলকে একসঙ্গে দু’দিক থেকে লড়তে হয়েছে। দলটির একদিকে আছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। আর অন্যদিকে রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার সব শক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

একটি জমি নিয়ে বড় ধরনের আইনি ও রাজনৈতিক সংকটে পড়েছেন ইউসুফ পাঠান।

বিজেপি না তৃণমূল—পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় বসছে কোন দল? এখন পর্যন্ত প্রাথমিক গণনায় বিজেপি এগিয়ে আছে।

দেশভাগ, ভাষা, অভিবাসন, নদী, শ্রম, আত্মীয়তা, স্মৃতি ও শোক—এই সবকিছুর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ বরাবরই পশ্চিমবঙ্গের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

ভোটে শোচনীয়ভাবে হারার পর প্রথম প্রকাশ্যে কর্মসূচিতে এলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির বিরুদ্ধে আন্দোলনের ঘোষণা দিলেন তিনি; বললেন, তাঁর লক্ষ্য রাজ্যের ক্ষমতা থেকে বিজেপিকে হটানো।

লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যসংখ্যা ২৮, রাজ্যসভায় ১৩।

কলকাতার বিবাদীবাগে রাজ্য নির্বাচনী দপ্তরের সামনে ভোটার তালিকা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়েছে। মোটরসাইকেল পোড়ানো ও মারপিটের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটে তৃণমূল দুই শ আসনে জয় পাবে বলে দাবি করেছেন মমতা।