
তালেবান ড্রোন, পাকিস্তানের ‘নিয়ন্ত্রিত উত্তেজনা’
তালেবান ড্রোন, পাকিস্তানের ‘নিয়ন্ত্রিত উত্তেজনা’

তালেবান ড্রোন, পাকিস্তানের ‘নিয়ন্ত্রিত উত্তেজনা’

গত ২৭ মে তালেবান ও রাশিয়ার মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতাবিষয়ক যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, তার বিষয়বস্তু এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

পাকিস্তান অভিযোগ করেছে, আফগানিস্তানের তালেবান সরকার ভারতের ‘প্রক্সি’ হিসেবে কাজ করছে।

তালেবানের সামনে একসময় স্পষ্ট করে বলা হয়েছিল—পাকিস্তান অথবা টিটিপি, একটিকে বেছে নিতে হবে। তালেবান শেষ পর্যন্ত টিটিপিকেই বেছে নিয়েছে।

২০২১ সালের আগস্টে তালেবান কাবুল পুনর্দখল করার পর পাকিস্তান ছিল আফগানিস্তানের ইসলামি আমিরাতের প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমর্থকদের একটি।

তালেবান আন্দোলনকে দীর্ঘদিন ধরে আফগানিস্তানের সবচেয়ে সংগঠিত, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও ঐক্যবদ্ধ শক্তি হিসেবে দেখা হয়। যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো বাহিনীর বিরুদ্ধে দুই দশকের যুদ্ধেও এই সংগঠন ভাঙেনি।

আফগানিস্তানে নতুন একটি আইন করছে তালেবান, যাতে কার্যত প্রথমবারের মতো বৈধতা পাচ্ছে বাল্যবিবাহ। অধিকারকর্মীরা বলছেন, এই ‘লজ্জাজনক’ নতুন আইনের ফলে স্বামীর অমতে কোনো কিশোরী বা তরুণীর পক্ষে বিবাহবিচ্ছেদ বা তালাক চাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে।

অপরাধীর সামাজিক অবস্থানের ভিত্তিতে তাজির শাস্তির ভিন্নতা অনুমোদন করা হয়েছে। অনেক প্রতিবেদনে এটিকে জাতভিত্তিক বা শ্রেণিভিত্তিক শাস্তিব্যবস্থা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

আফগানিস্তানে ঘুরে এসে দেশটির নারীশিক্ষা পরিস্থিতি নিয়ে লিখেছেন শুভজিৎ বাগচী।

২০০৭ সালে বেশ কিছু বিচ্ছিন্ন সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী একত্র হয়ে একটি জোট গঠন করে। তারা নিজেদের নাম দেয় তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)।

আফগানিস্তানে চলতি সপ্তাহ থেকে সরকারি কর্মকর্তাদের স্মার্টফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর।

পাকিস্তান আফগান তালেবানকে ভারতের 'প্রক্সি' আখ্যা দিয়ে 'যুদ্ধাবস্থা' ঘোষণা করেছে।