
ডেঙ্গু বাড়ছে, রোগী ৫৮ জেলায়, কোথায় বেশি
ডেঙ্গু এখন আর কোনো বিশেষ মাস বা মৌসুমের রোগ নয়, সারা বছরের।

ডেঙ্গু এখন আর কোনো বিশেষ মাস বা মৌসুমের রোগ নয়, সারা বছরের।

ডেঙ্গু সবচেয়ে বেশি প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে শিশু, তরুণ, কর্মক্ষম ও উৎপাদনশীল মানুষের। ডেঙ্গুর কারণে এই বয়সী মানুষের মৃত্যু শুধু পারিবারিক শোক নয়, এটি অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতার ওপর সরাসরি আঘাত।

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সঙ্গে যে বায়ুদূষণের সম্পর্ক আছে, তা উঠে এল এক বৈশ্বিক গবেষণায়। তাতে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশসহ যেসব দেশে বায়ুদূষণ বেশি, সেসব দেশে ডেঙ্গুতে মৃত্যুহার বিশ্বের গড় মৃত্যুহারের চেয়ে অনেকটাই বেশি। আবার এসব দেশের যেসব এলাকা বেশি দূষিত, মৃত্যুহারও তুলনামূলক বেশি সেসব এলাকায়।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারা দেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে সরকার।

ডেঙ্গু মোকাবিলার সবচেয়ে কার্যকর উপায় চিকিৎসা নয়, প্রতিরোধ। কারণ, এখনো ডেঙ্গুর নির্দিষ্ট কোনো ওষুধ নেই।

এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে নতুন প্রযুক্তির কথা জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, লার্ভা ধ্বংস করার জন্য একটি বিশেষ মেডিক্যাল ট্যাবলেট সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ডেঙ্গুতে চলতি বছর ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ জানায়, ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডে চলতি বছরের মার্চ থেকে মে পর্যন্ত প্রতি শনিবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মোট ৫৩টি ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হবে।

চলতি মাসে ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া পাঁচজনের চারজনই নারী। তাঁদের বয়স ২১ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডেঙ্গু আক্রান্ত এক নারী মারা গেছেন। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তাঁর মৃত্যু হয়।

বদলে যাওয়া পরিস্থিতিতে নিজের ও পরিবারের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আমাদের সচেতনতা ও প্রতিরোধকৌশলেও পরিবর্তন আনা জরুরি।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে দুই থেকে তিন দিন পরপর মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।