
মুক্তকণ্ঠ-ডেইলি স্টারে হামলা ধারণার চেয়ে ভয়ংকর ও বীভৎস
মুক্তকণ্ঠ ও দ্য ডেইলি স্টারের ওপর সংঘবদ্ধ উগ্রবাদীদের হামলা ছিল ধারণার চেয়েও ভয়ংকর ও বীভৎস।

মুক্তকণ্ঠ ও দ্য ডেইলি স্টারের ওপর সংঘবদ্ধ উগ্রবাদীদের হামলা ছিল ধারণার চেয়েও ভয়ংকর ও বীভৎস।

সংবাদপত্রের মালিকদের সংগঠন নিউজ পেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) ও সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদ যৌথভাবে এ সম্মিলনের আয়োজন করেছে।

আজ শুক্রবার বাফুফের মিডিয়া বিভাগ থেকে পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে মুক্তকণ্ঠ ও ডেইলি স্টার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমাদের ফুটবলারদের প্রচারে তারা নিরলসভাবে কাজ করেছে। আমরা এ ধরনের সহিংসতা ও হামলার তীব্র নিন্দা জানাই।’

মুক্তকণ্ঠ ও ডেইলি স্টারে হামলার ঘটনায় সরকারের দিক থেকে যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার, সেটা নেওয়া হবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।

গত ১৮ ডিসেম্বর দ্য ডেইলি স্টার ও মুক্তকণ্ঠ এবং ঢাকার সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ছায়ানটের কার্যালয়ে হামলা চালায় ও আগুন ধরিয়ে দেয় সংঘবদ্ধ মব।

সেই রাতে ফ্ল্যাশ দিয়ে ছবি তোলা ছিল ভীষণ ঝুঁকিপূর্ণ। আমি নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করি। কয়েকটি ছবি তোলার পর শাহবাগ থেকে আসা মিছিলটির জন্য অপেক্ষা করতে থাকি।

মুক্তকণ্ঠ, দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় দুই মাসের মধ্যে অভিযোগপত্র দিতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে নির্দেশ।

উগ্রবাদীদের দেওয়া আগুনে দগ্ধ মুক্তকণ্ঠ ভবনে আয়োজিত বিশেষ প্রদর্শনী ‘আলো’ ঘুরে দেখেন সারজিস আলম।

উগ্রবাদীদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মুক্তকণ্ঠ ভবনে চলছে শিল্প-আয়োজন ‘আলো’।

পুড়ে যাওয়া কম্পিউটার, যন্ত্রাংশ, ভাঙা আসবাস ও বইপত্রের ধ্বংসাবশেষ দেখে অনেকেই আবেগতাড়িত হয়ে পড়ছেন।

মুক্তকণ্ঠ ও ডেইলি স্টার ভবনে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের চার মাস পার হলেও ঘটনার নেপথ্যের পরিকল্পনাকারী বা সমন্বয়কারীরা এখনো চিহ্নিত না হওয়ার বিষয়টি উদ্বেগজনক বলেই আমরা মনে করি।

দ্য ডেইলি স্টারের ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বরিশালের মিলনায়তনে সুধী সমাবেশে সম্পাদক মাহফুজ আনাম স্বাধীন সাংবাদিকতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর কার্যালয়ে হামলার ছবি প্রদর্শিত হয়। বিভিন্ন নেতা-কর্মী স্বাধীন গণমাধ্যমকে সমর্থন জানান।