
গ্রামেই কার্যক্রম চলছে দেড় শ বছরের আদালতের, বদলে গেছে চিকন্দীর জীবন
শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও মুন্সিগঞ্জের কিছু এলাকার জন্য ব্রিটিশ শাসকেরা ১৮৬০ সালের দিকে পদ্মা নদীতে ভ্রাম্যমাণ চৌকি আদালত পরিচালনা শুরু করেন। যা পরে চিকন্দী আদালতে রূপ পায়।

শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও মুন্সিগঞ্জের কিছু এলাকার জন্য ব্রিটিশ শাসকেরা ১৮৬০ সালের দিকে পদ্মা নদীতে ভ্রাম্যমাণ চৌকি আদালত পরিচালনা শুরু করেন। যা পরে চিকন্দী আদালতে রূপ পায়।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় জাদুঘরের মূল প্রবেশপথের সামনেই কামানটি রাখা হয়েছে। পাশাপাশি এ কামান সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্যও সেখানে দেওয়া রয়েছে। এটি তৈরি করা হয়েছিল ১৬৫৬ সালে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এটি সংগ্রহ করে।

লালমনিরহাটের শতবর্ষী সিন্দুরমতি দিঘিতে চৈত্রের রামনবমীতে সনাতন সম্প্রদায়ের মানুষের পুণ্যস্নান ও ঐতিহ্যবাহী মেলা বসেছে। দেশ-বিদেশ থেকে আসা পুণ্যার্থীদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে দিঘির পাড়।

হাটের নাম ছাতিয়ানতলা। যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার ভৈরব নদের তীরের এই হাটের বয়স ২০০ বছরের বেশি।

চট্টগ্রামে কনফিডেন্স সল্ট-মুক্তকণ্ঠ ‘পাক্কা রাঁধুনি ২০২৬’–এর দ্বিতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামের এখনকার যানজটকবলিত এলাকা শুলকবহরে একসময় ছিল কর্ণফুলী নদীকেন্দ্রিক বাণিজ্যতরির বন্দর। ইতিহাসবিদদের বিবরণ, ব্রিটিশ আমলের মানচিত্র, নদীর গতিপথ পরিবর্তন ও নগর বিস্তারের ইতিহাস সেই সত্যই তুলে ধরে।

৪০ বছর ধরে কাঁথা সেলাইয়ের কাজ করেন। কাঁথা সেলাইয়ের টাকায় দুই মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। মেয়েদের বিয়েতেও উপহার দিয়েছেন নকশিকাঁথা।

লড়াইয়ে টেকা যাবে না জেনে ছোট নৌকায় কর্ণফুলীর খাল দিয়ে বহু আরাকানি পালিয়ে গেল। মোগল সেনারা সহজেই দুর্গ দখল করে তাতে আগুন দিল।

চট্টগ্রামের রাউজানে আশীষ কুমার দের হাতে তৈরি শুধু দুধ-চিনির প্যারা মিষ্টি স্থানীয় ও প্রবাসীদের কাছে খ্যাতিমান। বাবার ঐতিহ্যবাহী রেসিপিতে তৈরি এই মিষ্টি এখন মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে পৌঁছাচ্ছে। রাউজানে গেলে আশীষের প্যারা না খেলে চলে না।

কয়রার চরামুখা গ্রামে ১২৮৩ বঙ্গাব্দ থেকে প্রতিবছর পয়লা মাঘে বনবিবির পূজা ও মেলা হয়ে আসছে। বনে গিয়ে যেন নিরাপদে ফেরা যায়—এই কামনাতেই এই পূজা হয়।

বরিশাল নগরের ইতিহাস ও ধর্মীয় সম্প্রীতির এক গুরুত্বপূর্ণ স্মারক ফকিরবাড়ি মসজিদ। দুই শতাব্দীরও বেশি আগে নির্মিত এই স্থাপনা শুধু ধর্মীয় উপাসনালয়ই নয়, বরং নগরের ঐতিহ্য ও সহাবস্থানের নীরব সাক্ষী।

শুধু দেশেই নয়, এই গুড়ের সুনাম ছড়িয়ে আছে দেশের বাইরেও। এ কারণে এই গুড়ের নামেই জেলার ব্র্যান্ডিং করা হয়েছে, ‘হাজারি আর বাউলগান, মানিকগঞ্জের আসল প্রাণ’।