
জেন–জি কি সত্যিই এত আলাদা, নাকি এর বড় অংশই বিপণনকৌশল আর অতিরঞ্জন
১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া প্রজন্মকে বলা হয় জেন-জি। এই প্রজন্ম কি সত্যিই এত আলাদা, নাকি এর বড় অংশই আসলে বিপণন কৌশল আর অতিরঞ্জন?

১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া প্রজন্মকে বলা হয় জেন-জি। এই প্রজন্ম কি সত্যিই এত আলাদা, নাকি এর বড় অংশই আসলে বিপণন কৌশল আর অতিরঞ্জন?

জাতীয় যুবনীতি ২০০৭ অনুসারে, ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সীদের ‘যুব’ হিসেবে গণ্য করা হয়। সে হিসেবে এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটারের ৪২ শতাংশের বেশি ছিল তরুণ।

এই ঈদ যেহেতু গরমে পড়েছে তাই কিশোর-কিশোরীদের জন্য এমন পোশাক আনা হয়েছে, যেখানে আরাম ও স্টাইল একে অপরের পরিপূরক।

জুলাই ২০২৪ ও এর পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ প্রত্যক্ষ করেছে তরুণ প্রজন্মের প্রবল উত্থান।

বিয়েতে ভারিক্কি নকশার শাড়ি, ৩ থেকে ৪ সেট গয়না আর হলভর্তি মেহমানদের খাবারদাবারের আয়োজন এখনো প্রধান ট্রেন্ড। তবে এর মধ্যেও চোরাগুপ্তা কিছু পরিবর্তন আসছে।

জেন-জি আধুনিক ইতিহাসে প্রথম, আগের প্রজন্মের তুলনায় নিয়মিত স্কুলে যারা খারাপ ফল করছে। আশ্চর্যের হলো, তারা এটা নিয়ে অনুশোচনার বদলে গর্ববোধ করে।

আমি নিজেও জেন–জি। ডিজিটাল সময়ে বড় হওয়া, সোশ্যাল মিডিয়ার ভাষা বোঝা, ট্রেন্ডের সঙ্গে তাল মেলানো এক প্রজন্মের অংশ।

নেপালে জেন-জিরা গণ-অভ্যুত্থান ঘটিয়ে তাঁকে সামনে রেখে নির্বাচনে জিতে সরকার গড়েছে। সেই সরকার দুই মাস পার করল। কিন্তু নেপালে র্যাপার প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে সর্বমহলে প্রত্যাশায় টান পড়েছে।

নেপালে জেন-জি নেতা বালেন্দ্র শাহ প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন, কিন্তু বাংলাদেশে এনসিপি দুই বছরেও ক্ষমতায় আসতে পারেনি। নেপালি আরএসপির সাফল্যের পেছনে জনসম্পর্ক ও নির্বাচনী সুবিধা কাজ করেছে। বাংলাদেশে বিতর্কিত জোট ও বিলম্ব ব্যর্থতার কারণ।

নেপালের প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন বালেন্দ্র শাহ। একসময় র্যাপার ছিলেন তিনি। পরে রাজনীতিতে এসে রাজধানী কাঠমান্ডুর মেয়র হন।

নেপালের তরুণ নেতারা বলছেন, তাঁদের এই সাফল্যের মূল কারণ ছিল সাধারণ মানুষের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করতে পারা।

যাদের জন্ম ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে, তারা ‘জেনারেশন জেড’ বা ‘জেন–জি’ হিসেবে পরিচিত।