
জুলাই জাতীয় সনদের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে রিট
‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’-এর কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী আবেদনকারী হয়ে আজ বুধবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন।

‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’-এর কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী আবেদনকারী হয়ে আজ বুধবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন।

‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’–এর কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে করা রিট শুনানির জন্য আগামী রোববার দিন রেখেছেন হাইকোর্ট।

জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়নপ্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনার জন্য সরকারি সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুকের মুলতবি প্রস্তাব স্পিকার গ্রহণ করেছেন। ৫ এপ্রিল দুই ঘণ্টা আলোচনা হবে। এটি সংসদীয় ইতিহাসে বিরল নজির।

জুলাই সনদ নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে লিফলেট বিতরণ করেছে ছাত্রদল।

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নির্ধারণ নিয়ে স্বতন্ত্র এমপি শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল সংসদে মুলতবি প্রস্তাব তুলেছেন। বিএনপির সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ নেননি। ডেপুটি স্পিকার এখনো সিদ্ধান্ত জানাননি।

জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেমিনারে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের গড়িমসি এবং বিএনপির অনীহার সমালোচনা করা হয়েছে। বক্তারা সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন। সেমিনারে সাত দফা দাবিও উত্থাপিত হয়েছে।

জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন পদ্ধতি কী হবে, তা নিয়ে একটি মুলতবি প্রস্তাবের ওপর রোববার জাতীয় সংসদে আলোচনা হলেও এ বিষয়ে কোনো ঐকমত্যে আসতে পারেনি সরকারি দল ও বিরোধী দল।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেছেন, ‘নির্বাচন নিয়ে আমাদের প্রশ্ন থাকার পরও বিরোধী দল হিসেবে ১১-দলীয় জোট সংসদে অংশগ্রহণ করেছে।

রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিক কাঠামোতে জাতীয় সংসদ কর্তৃক নির্বাচিত। অর্থাৎ, রাষ্ট্রপতি নিজেও সংবিধানের ঊর্ধ্বে নন।

জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং ২০২৫ সালের গণভোট অধ্যাদেশের ৩ ধারা ও তফসিল প্রশ্নে রুল।

জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সারা দেশে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট।

ত্রয়োদশ সংসদের বিরোধী দলের বৈঠকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে এবং সরকারি দলের শপথ না নেওয়া নিয়ে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সংসদে আলোচনা হতে পারে।