
জিডিপির তুলনায় শিক্ষায় ব্যয় না বাড়ালে উন্নয়ন সম্ভব নয়: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
‘বাংলাদেশের শিক্ষা সংস্কারের রূপরেখা: দ্য লার্নিং নেশন’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন ও প্রকাশনা অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে এ কথা বলেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

‘বাংলাদেশের শিক্ষা সংস্কারের রূপরেখা: দ্য লার্নিং নেশন’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন ও প্রকাশনা অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে এ কথা বলেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

বর্তমানে অনিয়ন্ত্রিত মূল্যস্ফীতির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় নাভিশ্বাস ওঠার দশা হয়েছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথম যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ জিডিপি ছাড়িয়ে গেছে। এপ্রিলে ঋণ ৩১.২৭ ট্রিলিয়ন ডলার, জিডিপি ৩১.২২ ট্রিলিয়ন। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করলেও কেউ কেউ বলছেন পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব।

এডিবি চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বৈশ্বিক সংকটের কারণে প্রবৃদ্ধির হার কমেছে। পরের বছরে এটি ৪.৭ শতাংশে উন্নীত হতে পারে।

সানেমের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, তেলের দাম ৪০% এবং এলএনজি ৫০% বাড়লে জিডিপি ১.২% কমতে পারে, রপ্তানি ২% এবং আমদানি ১.৫% হ্রাস পাবে। মূল্যস্ফীতি ৪% বাড়বে এবং প্রকৃত মজুরি ১% কমবে। জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য সানেম নবায়নযোগ্য শক্তি ও মজুত তৈরির সুপারিশ করেছে।

বিবিএসের তথ্যে চলতি অর্থবছরের অক্টোবর–ডিসেম্বর প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩.০৩ শতাংশ, যা আগের প্রান্তিকে ছিল ৪.৯৬ শতাংশ। ইরান–ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকট অর্থনীতিতে নতুন ঝুঁকি তৈরি করেছে। শিল্প খাতে সবচেয়ে কম প্রবৃদ্ধি ১.২৭ শতাংশ।

আজ বৃহস্পতিবার ২০২৪–২৫ অর্থবছরের মাথাপিছু আয়, মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) চূড়ান্ত হিসাব দিয়েছে বিবিএস।

আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকের জিডিপির এই তথ্য প্রকাশ করেছে। গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল ২ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

ইলন মাস্কের সম্পদ এখন বিশ্বের ১৭৪ দেশের জিডিপির চেয়েও বেশি। স্পেসএক্সের আইপিও তাঁকে নতুন এক অর্থনৈতিক বাস্তবতার প্রতীক করে তুলেছে। সেকশন: বিশ্ববাণিজ্য

আজ জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই তথ্য জানান।

১১ মে মুক্তকণ্ঠয় আমার কলাম, ‘বিএনপি কি একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি হাতে পেয়েছে’ ছাপা হয়েছিল।

মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে বাংলাদেশসহ এশিয়ার দেশগুলো ভুগছে। জ্বালানিসংকট প্রকট হচ্ছে। এসব কারণে প্রবৃদ্ধি কমে যেতে পার বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক ও এডিবির মতো সংস্থাগুলো।