
ক্ষুদ্রঋণ খাতকে প্রবৃদ্ধির নতুন চালক হিসেবে নিতে হবে: হোসেন জিল্লুর রহমান
আজ গতকাল মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে মুক্তকণ্ঠ কার্যালয়ে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে হোসেন জিল্লুর রহমান এ কথা বলেন।

আজ গতকাল মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে মুক্তকণ্ঠ কার্যালয়ে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে হোসেন জিল্লুর রহমান এ কথা বলেন।

ক্রেডিট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফোরাম (সিডিএফ) ও মুক্তকণ্ঠের উদ্যোগে ‘ক্ষুদ্রঋণ খাতের চ্যালেঞ্জ ও প্রত্যাশা: বাজেট ২০২৬-২৭ পরিপ্রেক্ষিত’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় ৯ জুন ২০২৬ ঢাকার মুক্তকণ্ঠ কার্যালয়ে।

দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, দারিদ্র্য বিমোচন ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখছে ক্ষুদ্রঋণ খাত।

অনেক গ্রামীণ নারী, যাঁরা একসময় ক্ষুদ্রঋণ গ্রুপের সদস্য ছিলেন, পরবর্তী সময়ে স্থানীয় সরকারের সদস্য বা চেয়ারম্যান হয়ে সামাজিক নেতৃত্বেও নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেছেন।

প্রস্তাবিত এই ব্যাংকের অধ্যাদেশের খসড়া চূড়ান্ত। এখন আছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে। উপদেষ্টা পরিষদ তা অনুমোদন করলেই জারি হবে অধ্যাদেশ।

বিবৃতিতে বলা হয়, কীভাবে বিদ্যমান ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংকে রূপান্তরিত হবে, সে বিষয়ে অধ্যাদেশে কোনো সুস্পষ্ট, নির্দিষ্ট বা বাস্তবায়নযোগ্য রূপরেখা নেই।

এমআরএ ৯৪৯টি ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানকে ছুটির দিনে কর্মীদের কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। সিডিএফ জানায়, ৯টা-৫টা সময়সীমা এই খাতের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। গ্রাহকদের লেনদেনের সময়ের কারণে নমনীয়তা দরকার।

সিডিএফের মতে, এনজিও চলবে এনজিওর মতো, যার নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ হবে এমআরএ এবং যে অংশটুকু ব্যাংকে স্থানান্তর হবে, সেটুকুর নিয়ন্ত্রণ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। কোনোভাবেই দ্বৈত নিয়ন্ত্রণে প্রস্তাবিত ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক পরিচালিত হবে না।

গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণের সুদহার কমানোর নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

বাংলাদেশকে বলা হয় ক্ষুদ্রঋণের সূতিকাগার বা মাতৃভূমি। গ্রামীণ অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করছে ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থাগুলো (এনজিও/এমএফআই)।

দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা ‘আশা’ মাঠপর্যায়ে ঋণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ‘জুনিয়র লোন অফিসার’ পদে মোট ২৩৫ জনকে নিয়োগ দেবে।

রাজশাহীর বাঘা, চারঘাট, পবা, মোহনপুর ও তানোর উপজেলার গ্রামগুলোতে ঋণের জালে পিষ্ট হওয়া মানুষের যে হাহাকার উঠছে, তা ক্ষুদ্রঋণ বিতরণে অব্যবস্থাপনা এবং ঋণসুবিধার অপব্যবহারকে আবারও সামনে এনেছে।