
কোটিপতি প্রার্থী খরচ করবেন সবচেয়ে কম, সর্বোচ্চ কত
জামায়াতের ওই প্রার্থীর নাম ইসহাক খন্দকার। তিনি জেলা জামায়াতের আমির। এ নির্বাচনে তিনি নোয়াখালী-৪ আসনের প্রার্থী হয়েছেন। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

জামায়াতের ওই প্রার্থীর নাম ইসহাক খন্দকার। তিনি জেলা জামায়াতের আমির। এ নির্বাচনে তিনি নোয়াখালী-৪ আসনের প্রার্থী হয়েছেন। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

হলফনামায় দেওয়া প্রার্থীদের তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে টিআইবি। সংস্থাটির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, অন্তত তিন প্রার্থী বিদেশে থাকা সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। কিন্তু তাঁদের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে।

স্থাবর–অস্থাবর সম্পদে কোটিপতি প্রার্থী ৮৯১ জন

মাসে ১৩,৮০৩ টাকা জমায় ২০ বছরে কোটিপতি

ট্রাস্ট ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, এই স্কিমের সুদহার ১০ শতাংশ। যাঁরা বিনিয়োগে সাহস পান না, নিরাপদে সঞ্চয় করতে চান, তাঁদের জন্য এ ধরনের স্কিম উপযোগী।

গ্রাহক নির্দিষ্ট অঙ্কের প্রাথমিক অর্থ জমা দেওয়ার পাশাপাশি মাসিক কিস্তি দিয়ে মেয়াদ শেষে কোটিপতি হতে পারেন। আবার শুধু মাসিক কিস্তি দিয়ে মেয়াদ শেষে কোটিপতি হওয়া যায়।

সীমিত আয়ের মানুষের পক্ষে কোটিপতি হওয়া গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। দেশের বিভিন্ন ব্যাংক এ রকম কোটিপতি স্কিম চালু করেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাটোর জেলায় কোটিপতি প্রার্থীর ছড়াছড়ি। জেলার চারটি আসনে বিএনপি মনোনীত চার প্রার্থীসহ অন্তত ১১ জন কোটিপতি প্রার্থী আছেন।

সংরক্ষিত নারী আসনের ৫০ এমপির ৩৭ জনের পরিবার কোটিপতি, যাদের মধ্যে বিএনপির ২৭ জন। সুজনের সংবাদ সম্মেলনে হলফনামার ভিত্তিতে সম্পদ, আয়, শিক্ষা, পেশা ও মামলার তথ্য প্রকাশ। সংস্কারের সুপারিশও করেছে সংস্থাটি।

হলফনামা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, নোয়াখালীর ছয়টি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা কোটিপতি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থ ও সম্পদের মালিক নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাট) আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম।

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া ৪৯ জনের হলফনামা বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

গড় আয়ের দিক থেকে সুইজারল্যান্ড হয়তো বিশ্বের শীর্ষ দেশের তালিকায় ওপরের দিকে থাকবে না। তাহলে তাঁদের এই অবিশ্বাস্য সম্পদের পেছনের জাদুকরী রহস্যটা কী?