
কৃষিতে সৌরবিদ্যুতের বিপুল সম্ভাবনা, উদ্যোগ কম
সৌরচালিত সেচব্যবস্থা বর্তমানে দেশের মোট সেচকৃত জমির ১ শতাংশের মতো। বাকিটা এখনো ডিজেলচালিত ও গ্রিড-সংযুক্ত বৈদ্যুতিক পাম্পের ওপর নির্ভরশীল।

সৌরচালিত সেচব্যবস্থা বর্তমানে দেশের মোট সেচকৃত জমির ১ শতাংশের মতো। বাকিটা এখনো ডিজেলচালিত ও গ্রিড-সংযুক্ত বৈদ্যুতিক পাম্পের ওপর নির্ভরশীল।

মাচার ওপর লতিয়ে উঠেছে চালকুমড়ার সবুজ ডগা। আর নিচে মাটিতে সারি সারি আলু। একই জমিতে এমন ভিন্নধর্মী চাষাবাদের দেখা মেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের পুটিমারী এলাকায়।

নেত্রকোনার হাওরসহ নিম্নাঞ্চলে বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। এক সপ্তাহ ধরে কিছু কিছু এলাকায় আগাম কাটা শুরু হলেও গত রোববার পুরোদমে ধান কাটা শুরু হয়।

রাজশাহীর চারঘাটে কৃষক হানিফ মণ্ডলের বাগানে দেশি-বিদেশি ৩২ জাতের আমের সমাহার। লাল, বেগুনি ও হলুদ রঙের বিরল আম দেখতে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। দেরিতে পাকা আম ও নিরাপদ উৎপাদন প্রযুক্তি নিয়ে তাঁর উদ্যোগ তৈরি করেছে নতুন সম্ভাবনা।

শুরুর কয়েক মাসের মাথায় বাগানটি দাঁড়িয়ে যায়। প্রতিটা গাছে ধরেছে ৬-১২টি ফল। ইতিমধ্যে ড্রাগন ফল পাকতে শুরু করেছে। বেচা–বিক্রিও হচ্ছে।

ইকরামের বাগানে এখন ১৫০ জাতের আঙুর

দিনাজপুরের বিরল উপজেলার রবিপুর গ্রামে স্থানীয় চার উদ্যোক্তা যৌথ উদ্যোগে ৮৭ শতাংশ জমিতে স্ট্রবেরি চাষ করছেন।

রংপুর নগরের লালকুঠির বাসিন্দা মেহেদী ইউটিউব ঘেঁটে মাশরুম চাষ শুরু করেন। এখন কাঁচা মাশরুম, বীজ ও মাশরুমের বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী বিক্রি করে মেহেদীর মাসে আয় ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা।

দেশের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে ভারত থেকে প্রায় ৪২ কোটি ভেনামি চিংড়ির ‘নপলি’ আমদানির অনুমতি দিয়েছে, এমন অভিযোগ তুলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশের চিংড়ি হ্যাচারির মালিকেরা। তাঁদের দাবি, আইন ও সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে মৎস্য অধিদপ্তর এ অনুমোদন দিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে দেশে চিংড়ি পোনা উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত অন্তত ৫০টি হ্যাচারি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে।

বারি জিরা-১ জাতের মাধ্যমে দেশে জিরা চাষের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন জেলায় পরীক্ষামূলক চাষে ভালো ফলন পেয়েছেন কৃষকেরা, বিশেষ করে রাজশাহীর বরেন্দ্র অঞ্চলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি উৎপাদন হয়েছে।

মায়ের দেওয়া হাতখরচ বাঁচিয়ে চারটি কোয়েল পাখি কিনেছিলেন। মোহাম্মদ হামিমের শুরুটা এভাবেই। তখনো জানতেন উদ্যোগটা এত বড় হয়ে উঠবে।

একটি চারা থেকে শুরু করে ১৫০ জাতের আঙুর চাষে এক বছরে প্রায় ৯ লাখ টাকা আয় করে স্বাবলম্বী হয়েছেন চাঁদপুরের তরুণ ইকরাম খান।