
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: বাংলাদেশ কতটা প্রস্তুত?
বাংলাদেশে এআই নিয়ে আগ্রহ ও কাজের পরিসর বাড়লেও প্রস্তুতি এখনো অসম।

বাংলাদেশে এআই নিয়ে আগ্রহ ও কাজের পরিসর বাড়লেও প্রস্তুতি এখনো অসম।

বাংলাদেশের কর্মক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রথাগত চাকরি যেমন ডেটা এন্ট্রি ও কাস্টমার সার্ভিসে ঝুঁকি তৈরি করছে। অন্যদিকে ডেটা সায়েন্স ও সাইবার নিরাপত্তার মতো নতুন পেশার সৃষ্টি হচ্ছে।

ডেটা সেন্টারের সার্ভারগুলোতে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়। এই তাপ কমাতে ব্যবহৃত কুলিং সিস্টেম পরিচালনায় লাখ লাখ লিটার বিশুদ্ধ পানির প্রয়োজন হয়।

এরই মধ্যে এআই বহু নিয়মিত কাজ স্বয়ংক্রিয় করে ফেলেছে। আগে যেসব কাজে লাইন ম্যানেজারের অনেক সময় ব্যয় হতো, এখন সেগুলো দ্রুত ও কার্যকরভাবে সম্পন্ন হচ্ছে।

এআই দিয়ে বিশ্বে এই প্রথম টিকার নকশা করা হলো।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) মানুষের কাজকে সহজতর করার পাশাপাশি নতুন নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিচ্ছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) যুগে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলো পাঠ্যবইয়ের বাইরে দক্ষতায় জোর দিচ্ছে।

আমি ‘বাংলাদেশে মাতৃস্বাস্থ্য ঝুঁকি পূর্বাভাসে এক্সপ্লেইনেবল এআই’–বিষয়ক যে প্রকল্পে কাজ করছি, তাতে এই ‘ইন্টারসেকশনাল ফেয়ারনেস’, অর্থাৎ লিঙ্গ, আয়, পরিচয়ের চেয়ে ন্যায্যতা নিশ্চিত করাকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

কয়েক দশক ধরে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের ক্ষমতা নির্ধারিত হতো তেলের মজুত, উৎপাদনক্ষমতা, পাইপলাইন, জাহাজ চলাচলের রুট এবং ভূরাজনৈতিক অবস্থানের ভিত্তিতে।

রেফ্রিজারেটরের বাজারে স্মার্ট ফ্রিজের আধুনিক প্রযুক্তি খাদ্য সংরক্ষণ ও অপচয় রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখছে, বৃদ্ধদের সুবিধাও নিশ্চিত করছে।

মুক্তকণ্ঠ ডটকম ও প্রাইম ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে বিশেষ পডকাস্ট শো: লিগ্যাসি উইথ এমআরএইচ: সিজন-২-এ এবারের অতিথি বিটোপিয়া গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মনির হোসেন।

কলসাস ডেটা সেন্টার থেকে নির্গত গ্রহ উষ্ণকারী গ্যাসের পরিমাণ একটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিঃসরণের কাছাকাছি।