
কাপাসিয়ায় দুর্বৃত্তদের পিটুনিতে কৃষক দলের সাবেক নেতার মৃত্যু
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় দুর্বৃত্তদের পিটুনিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাবেক এক নেতার মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় দুর্বৃত্তদের পিটুনিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাবেক এক নেতার মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় পাঁচ খুনের ঘটনায় স্ত্রীর মরদেহে নতুন শাড়ি, গলায় হার-হাতে চুড়ি দেখে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। গৃহকর্তা ফোরকান মিয়া অভিযুক্ত হলেও তিন দিনেও গ্রেপ্তার হননি। পরিবারের মনোমালিন্য ও অভিযোগপত্র নিয়ে তদন্ত চলছে।

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় নিখোঁজ স্কুলছাত্র মো. নুরুল ইসলাম নাহিদ ওরফে রাহিমের (১৩) লাশ শীতলক্ষ্যা নদী থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। দুই দিন আগে শনিবার সকালে বাড়ি থেকে বের হন ছেলেটি। বলদার ঘাটে স্থানীয় মাঝিরা মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেন।

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় পাঁচজন খুনের ঘটনায় নিহতদের ময়নাতদন্ত বিশেষ ব্যবস্থায় দ্রুত সম্পন্ন হয়েছে। জেলা প্রশাসন ফ্রিজিং গাড়ি সহ বিশেষ ব্যবস্থা নেয়। নিহত শারমিনের স্বামীকে প্রধান সন্দেহভাজন করে মামলা দায়ের হয়েছে।

গাজীপুরের কাপাসিয়ার রাউৎকোনায় এক পরিবারের পাঁচ সদস্যকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে গৃহকর্তা ফোরকান মিয়াই এই নৃশংসতার জন্য সন্দেহভাজন, যিনি এখন পলাতক। আজ শনিবার ভোরে ঘটনাটি সামনে আসে।

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে ‘শুভ উদ্বোধন’ লেখা ব্যানার টানানো হয়। তবে কিছু সময়ের মধ্যেই সেটি উধাও হয়ে গেছে।

জামায়াতের মিছিলটি বিএনপির কার্যালয়ের কাছে যাওয়ার পর দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে কথা–কাটাকাটি থেকে সংঘর্ষ বাধে। পরে দুই পক্ষের কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

গত শনিবার রাতে বাড়ি ফেরার পথে হেলাল উদ্দিনের ওপর হামলা চালায় অজ্ঞাত চার-পাঁচজন দুর্বৃত্ত। এদিন রাতেই তিনি মারা যান।

কাপাসিয়ায় রেকর্ড সংখ্যক কাঁঠাল উৎপাদন হলেও ক্রেতা ও পাইকারের সংকটে ন্যায্যমূল্য না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন স্থানীয় চাষিরা।

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় পাঁচ খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত ফোরকান মিয়াকে এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। নিহত শারমিনের সাজানো পোশাক নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতদের বাবা এটিকে ফোরকানের সাজানো নাটক বলছেন।

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় এক পুরুষ স্ত্রী, তিন সন্তান ও শ্যালককে খুন করেছেন। দাম্পত্য কলহ ও মানসিক সংকটের পটভূমিতে ঘটনাটি দেশে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষজ্ঞরা মনোবিজ্ঞানীয় ও সামাজিক কারণ নিয়ে আলোচনা করেছেন।

দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা প্রায় দশ হাজার মানুষের উপস্থিতিতে গ্রামীণ আবহে ধারণ করা হয়েছে এবারের আয়োজন। কৃষকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মজার নানা খেলাধুলা ও প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।