
এ পর্যন্ত ৪১ লাখ করদাতা অনলাইনে রিটার্ন দিয়েছেন
আজ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে। কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া সব করদাতার অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে হবে।

আজ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে। কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া সব করদাতার অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে হবে।

প্রতিদিন গড়ে ১০০ জন প্রবাসী বাংলাদেশি করদাতা তাঁদের আয়কর রিটার্ন দিচ্ছেন। প্রায় ৫ হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি ই-রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধন নিয়েছেন।

২০২৩–২৪ অর্থবছরের জন্য জমা দেওয়া আয়কর রিটার্ন নিরীক্ষার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। এই পর্যন্ত তিন দফায় এক লাখ করদাতার করনথি নির্বাচন করল এনবিআর।

সমাজের নানা শ্রেণি–পেশার করদাতাদের নানা কারণে অগ্রিম কর দিতে হয়, যা অনেক সময় যৌক্তিক হয় না। তবু করদাতাকে অগ্রিম কর দিতে হয়, যা করদাতার ওপর চাপ সৃষ্টি করে।

এ বছর এ পর্যন্ত প্রায় ৮৮ হাজার করদাতার আয়কর নথি নিরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

৮৮ হাজার করদাতার রিটার্ন নথি যাচাই–বাছাইয়ের জন্য নিরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনবিআর। তারা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাবেন না।

ইতিমধ্যে এনবিআরের সব কর অঞ্চলের কমিশনারদের এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে কর ফাঁকি কমবে।

৪০ লাখ টাকার বেশি আয় দেখিয়েছেন, এমন পুরুষ করদাতার সংখ্যা ২৯ হাজার ৮০ ও নারী করদাতার সংখ্যা ৫ হাজার ১১৭।

আয়কর রিটার্নে করদাতার ৯ ধরনের খরচের তথ্য জানতে চায় এনবিআর। করদাতাকে রিটার্ন আইটি ১১গ (২০২৩)-তে জীবনযাপন-সংশ্লিষ্ট ব্যয়ের বিবরণী দাখিল করতে হয়।

এ বছর প্রায় সাড়ে ৪২ লাখ করদাতা আয়কর রিটার্ন দিয়েছেন। কিন্তু দেশে ১ কোটি ২০ লাখের মতো কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (টিআইএনধারী) আছেন।

বর্তমানে ১ কোটি ২৮ লাখের বেশি টিআইএনধারী রয়েছেন, যার মধ্যে সাড়ে ৪২ লাখ করদাতা রিটার্ন দিয়েছেন। অনলাইন রিটার্নে সোনা, নগদ টাকা, সম্পদের ভুল উপস্থাপনা সবচেয়ে বেশি হয়। এই ভুলগুলো এড়াতে করদাতাদের সতর্ক থাকতে হবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) হিসাবে, এখন পর্যন্ত ৩৯ লাখ করদাতা অনলাইনে রিটার্ন দিয়েছেন।