
ওজন নিয়ন্ত্রণে খেতে পারেন কম ক্যালরির এসব স্বাস্থ্যকর নাশতা
নিয়মিত এমন উচ্চক্যালরির নাশতা ওজন বৃদ্ধি, হৃদ্রোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

নিয়মিত এমন উচ্চক্যালরির নাশতা ওজন বৃদ্ধি, হৃদ্রোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

ওজন কমাতে হলে ক্যালরি নিয়ন্ত্রণ করতেই হবে। সুস্থতার চর্চা করতে হলে আপনার যখন যা মনে চায়, সেটাই খেয়ে ফেলতে পারবেন না।

স্ট্রবেরি এখন সহজলভ্য, খেতে মজা, বেশ পুষ্টিকরও। ওজন কমানোর প্রয়াসেও অনেকে স্ট্রবেরি যোগ করেন খাদ্যতালিকায়। সত্যিই কি স্ট্রবেরি খেলে ওজন কমে?

রোজ দারুচিনি-পানি খাওয়ার চর্চাটা অনেকের কাছে ওজন কমানোর একটা সহজ উপায় হিসেবে জনপ্রিয়। তবে এই পানীয় গ্রহণে আদতেই কি ওজন কমে?

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চিকিৎসকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাঁর ‘স্বাস্থ্য চমৎকার’। এতে দেখা গেছে, তাঁর ওজন বেড়েছে এবং স্নায়বিক ও হার্টের পরীক্ষাগুলোর ফল ‘স্বাভাবিক’ এসেছে।

স্থূলতা যে হারে বাড়ছে, তাতে ২০৩৫ সালের মধ্যে বিশ্বের অর্ধেক মানুষই স্থূলতা বা ওজনাধিক্যে আক্রান্ত হবেন।

সকালে ঘুম থেকে উঠে ওজন হয়তো এক রকম দেখা গেল, রাতে শোবার আগে মাপলে দেখা যায় এক থেকে দুই কেজি বেড়ে গেছে!

ওজন কমাতে অনেকে নানা ধরনের ওষুধ গ্রহণ করে থাকেন। এগুলো গ্রহণ করা ভালো?

এমবডি একটি সমন্বিত স্বাস্থ্য ও ওজন ব্যবস্থাপনা প্ল্যাটফর্ম, যা কেবল ‘ওজন কমানো’র বদলে গুরুত্ব দেয় ব্যক্তিকে সুস্থ রাখার ধারণায়

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিংয়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় ধরন হলো ‘১৬: ৮’ পদ্ধতি। অর্থাৎ দিনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৬ ঘণ্টা ফাস্টিং আর বাকি ৮ ঘণ্টার মধ্যে সব খাবার খেয়ে নেওয়া।

নবজাতক কন্যাশিশুরও মাসিক হতে পারে। জন্মের প্রথম সপ্তাহে কন্যাশিশুর ডায়াপারে রক্তের ফোঁটা দেখে অনেক অভিভাবক অবাক ও আতঙ্কিত হন।

দিনে মাত্র ১০ মিনিটের শরীরচর্চাও হৃদ্রোগের ঝুঁকি অনেকটা কমিয়ে দেয়। কিন্তু সমস্যা বাঁধে নিয়ম মানা নিয়ে।