
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত লেবানন–ইসরায়েল চুক্তি প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর
‘এমন পদক্ষেপ লেবাননকে শত্রু ইসরায়েলের হাতের পুতুলে পরিণত করবে।’

‘এমন পদক্ষেপ লেবাননকে শত্রু ইসরায়েলের হাতের পুতুলে পরিণত করবে।’

মাসের পর মাস যুদ্ধ, চাপ আর কূটনৈতিক নাটকীয়তার পর লেবানন কার্যত ইসরায়েলের সঙ্গে একটি ‘ইচ্ছাপত্রে’ প্রবেশ করেছে। এর প্রতিক্রিয়া আসতে দেরি হয়নি। লেবাননের বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তি, বিশেষ করে হিজবুল্লাহ ও তাদের মিত্ররা এই চুক্তির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। রাস্তায় প্রতিবাদ হয়েছে, সংবাদমাধ্যমেও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

হিজবুল্লাহকে মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে লেবানন সরকারের সক্ষমতা সীমিত

লেবানন সরকারের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক শান্তি আলোচনায় রাজি হলেও হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধবিরতি নিয়ে কথা বলবে না ইসরায়েল। আগামী মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে আলোচনা শুরু হবে। লেবাননে চলমান সংঘাতে ১ হাজার ৯৫০-এর বেশি মানুষ নিহত।

যুদ্ধবিরতি নিয়ে এ সমঝোতার দিনও সীমান্তে দুই পক্ষের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা অব্যাহত ছিল।

তাঁকে শাস্তি হিসেবে ৩০ দিনের সামরিক আটকাদেশ দেওয়া হয়েছে

গত বছরের অক্টোবরে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর সেখানে ‘ইয়েলো লাইন’ তৈরি করে ইসরায়েল।

আগামী শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই হওয়ার কথা। এর মধ্যেও দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন জনপদে বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল।

সাদা ফসফরাস হলো এমন এক রাসায়নিক পদার্থ, যা অক্সিজেনের সংস্পর্শে এলে আগুন ধরে যায়।

হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযানের মধ্যে এ দুর্গ দখলের ঘটনা ঘটেছে।

ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে একটি রূপরেখা চুক্তি ঘোষণা করা হয়েছে।

লেবাননে ১২০টির বেশি হামলায় নারী-শিশুসহ অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। নড়বড়ে হয়ে পড়েছে সাময়িক যুদ্ধবিরতি।