
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি যে কারণে ব্যর্থ হচ্ছে
‘আমরা সংলাপের জন্য আগ্রহী, কিন্তু কোনো অমূলক বা জবরদস্তিমূলক দাবির কাছে মাথানত করব না।’

‘আমরা সংলাপের জন্য আগ্রহী, কিন্তু কোনো অমূলক বা জবরদস্তিমূলক দাবির কাছে মাথানত করব না।’

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের কাছাকাছি। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হরমুজ প্রণালী চালু এবং পরমাণু আলোচনার পথ খুলবে। এতে তেলের দাম কমেছে, তবে ইসরায়েল লেবাননে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

ইরান হরমুজ প্রণালি খোলার ঘোষণা দিয়েছে যুদ্ধবিরতির প্রেক্ষাপটে। যুক্তরাষ্ট্র এটিকে বিজয় বললেও ইরান ‘মহান বিজয়’ দাবি করছে। দুই পক্ষের প্রস্তাবে বড় ফারাক থাকায় আলোচনার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শর্ত সাপেক্ষে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির খবরে বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১৫.৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯২ ডলারের কাছাকাছি নামে। শেয়ারবাজারে সূচক উর্ধ্বমুখী হয়েছে। হরমুজ প্রণালি খোলার খবরও এসেছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির খবরে বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১৫.৯% কমে ব্যারেলপ্রতি ৯২ ডলারে নামলো। এশিয়ার শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সূচক উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি সাময়িক স্বস্তি দিলেও স্থায়ী শান্তি না হলে উৎপাদন স্বাভাবিক হবে না।

ইরান যুক্তরাষ্ট্রের ১৪ দফার সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনা করছে যুদ্ধবিরতির জন্য। ট্রাম্প এক সপ্তাহের মধ্যে চুক্তির আশা দিয়েছেন, তবে হুমকিও দিয়েছেন। ইরানের অভ্যন্তরীণ সমালোচনা ও দাবির পার্থক্য চুক্তির পথে বাধা।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি মেনে নিয়েছে, যার পিছনে পাকিস্তানের অবিরাম মধ্যস্থতা গুরুত্বপূর্ণ। ইসলামাবাদের কূটনৈতিক উদ্যোগ কীভাবে এই অগ্রগতি এনেছে, তা বিশ্লেষণ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এটি পাকিস্তানের বড় কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে, যার পেছনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ইসলামাবাদের সঙ্গে দুই পক্ষের আস্থা, অর্থনৈতিক চাপ এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক এর মূল কারণ। তবে এই শান্তি এখনো নড়বড়ে।

পাকিস্তান তৈরি করেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শত্রুতা শেষের দুই ধাপের পরিকল্পনা, যাতে তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি এবং পরে বিস্তৃত চুক্তি অন্তর্ভুক্ত। আজ সোমবারই এটি কার্যকর হতে পারে এবং হরমুজ প্রণালি খুলে যেতে পারে। সেনাপ্রধান আসিম মুনির সারা রাতের যোগাযোগের মধ্য দিয়ে এগিয়ে এসেছে প্রস্তাবটি।

জেডি ভ্যান্স বলেন, দোহা বৈঠক নিয়ে ইরানের বিবৃতিগুলো একই সঙ্গে ‘আকর্ষণীয় ও হতাশাজনক’।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সুইজারল্যান্ডে বৈঠক হবে। পাকিস্তান ও কাতার মধ্যস্থতাকারী হিসেবে অংশগ্রহণ করবে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ সচল রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করছে পাকিস্তান।