
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যে দিতে হবে ২৫% শুল্ক
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যে দিতে হবে ২৫% শুল্ক

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যে দিতে হবে ২৫% শুল্ক

মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, চুক্তির আওতায় ইরান অর্থনৈতিক সুবিধা পাবে কি না, তা নির্ভর করবে দেশটি তার প্রতিশ্রুতি কতটা পূরণ করছে তার ওপর।

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক থাকা যেকোনো দেশের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক বসানোর ঘোষণা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ট্রাম্প এখনো ওই নির্বাহী আদেশ নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালানোর পর থেকে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। এই প্রণালি দিয়ে ভারতের প্রায় ৪০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল আমদানি হয়।

জর্ডানে মার্কিন বাহিনীর অবস্থানস্থল হিসেবে পরিচিত একটি বিমানঘাঁটিতেও হামলার দাবি করেছে আইআরজিসি।

তেহরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে অস্ত্র সরবরাহকারী দেশগুলোর পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন। তিনি ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করে এ ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন। চীন ও রাশিয়া দীর্ঘদিন ধরে ইরানকে সামরিক সহায়তা করে আসছে।

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা ভারতের চিন্তা নতুন করে বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, ভারতের ওপর চাপানো শুল্কহার ৫০ থেকে বেড়ে ৭৫ শতাংশ হয়ে যাবে?

বেইজিংয়ে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু হয়েছে। বাণিজ্য বিরোধ, শুল্ক, প্রযুক্তি, তাইওয়ান এবং ইরান যুদ্ধসহ বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় উঠতে পারে। ট্রাম্প বাণিজ্য নেতাদের সঙ্গে চীনে গেছেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান অবশেষে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ৬০ দিন তেহরান কোনো শুল্ক বা টোল ছাড়াই জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেবে; যার বিনিময়ে ওয়াশিংটন তাদের নৌ-অবরোধ তুলে নেবে, ইরানের তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে এবং ইরানের জব্দ করা অর্থ ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে। একই সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনাও শুরু হতে যাচ্ছে।

ইরান যুদ্ধ নিয়ে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মেরৎসের ট্রাম্প-সমালোচনা দ্রুতই দুই দেশের সম্পর্কচ্ছেদের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার, শুল্ক আরোপসহ কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। মেরৎস কেন এত বড় ঝুঁকি নিলেন, তা নিয়ে বিশ্লেষণ।

ইরান যুদ্ধের ফলে জ্বালানিসংকটে পড়া ইউরোপ চীনের কৌশল অনুসরণ করে অরাজক বিশ্বে নিজস্ব শক্তিতে দাঁড়ানোর পথ খুঁজছে। চীনের আগাম প্রস্তুতি ও বাজার নিয়ন্ত্রণ ইউরোপের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুল্ক ও বাণিজ্য অস্ত্র ব্যবহার করে ইউরোপ নিজেদের সুরক্ষা করতে পারে।