
আরব আমিরাতের ওপেক ত্যাগ সৌদির জন্য কতটা ধাক্কা
আগামী মাসেই তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট ওপেক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

আগামী মাসেই তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট ওপেক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

এক আলাপচারিতায় ইরানি কর্মকর্তারা সৌদি কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন, তাঁরা আমিরাতকে ‘গুঁড়িয়ে দেওয়ার’ পরিকল্পনা করছেন।

গত বছরের শেষ দিকে ইয়েমেন থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে কার্যত সরিয়ে দিয়েছে সৌদি আরব।

ইরানে অর্থ পাঠানোর খবর নাকচ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

এর আগে ভারত, পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশে জন্মগ্রহণ করা খেলোয়াড়েরা আমিরাতে নির্দিষ্ট সময় বসবাসের শর্তপূরণ করে দেশটির হয়ে খেলতেন।

যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও জার্মানির একজন করে বিজ্ঞানী আমিরাতের অনুদান পেয়েছেন।

দানের লোহিত সাগরের উপকূল, উর্বর কৃষিজমি, যুবক যোদ্ধা—এসব কিছুই আরব আমিরাতকে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে আরব আমিরাত চীন ও পশ্চিমা দেশগুলোর প্রভাবকে ছাড়িয়ে প্রধান বহিরাগত শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

ওপেক ছাড়ার সিদ্ধান্ত সৌদি আরবের সঙ্গে আরব আমিরাতের প্রকাশ্য দ্বন্দ্বের সর্বশেষ দৃষ্টান্ত।

বৈশ্বিক তেলবাজারে ওপেকের প্রভাব কমেছে। ১৯৭০-এর দশকে আন্তর্জাতিক তেল–বাণিজ্যের প্রায় ৮৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করত তারা; এখন যা নেমে এসেছে প্রায় ৫০ শতাংশে।

ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে হাজারো পাকিস্তানি শিয়া শ্রমিককে রহস্যজনকভাবে বহিষ্কার করা হচ্ছে। কোনো কারণ না জানিয়ে ধরে ফেলা হচ্ছে তাদের, যা শিয়া সম্প্রদায়ের প্রতি সন্দেহের প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে। পাকিস্তান সরকার অভিযোগ অস্বীকার করলেও ভুক্তভোগীরা বছরের পর বছর নজরদারির কথা বলছেন।

যে যুদ্ধ ঠেকাতে উপসাগরীয় দেশগুলো দীর্ঘদিন ধরে কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় বিপুল বিনিয়োগ করেছিল, শেষ পর্যন্ত সে যুদ্ধই শুরু হয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ ইরানে সমন্বিত হামলা চালানোর জন্য উপসাগরীয় নেতাদের রাজি করানোর চেষ্টা করেছিলেন, তবে সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বলে ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।