
যুক্তরাষ্ট্র ই–মেইলে সমন পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়ার পর খবর শুনে যোগাযোগ শুরু করলেন আদানি
ভারতের শিল্পগোষ্ঠী আদানির বিরুদ্ধে এবার ই–মেইলে সমন পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্রের এসইসি।

ভারতের শিল্পগোষ্ঠী আদানির বিরুদ্ধে এবার ই–মেইলে সমন পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্রের এসইসি।

মার্কিন সাময়িকী ফোর্বসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাত্র এক দিনের ব্যবধানে শুক্রবার গৌতম আদানির সম্পদ প্রায় ২৫০ কোটি মার্কিন ডলার বেড়েছে।

২০২৪ সালের নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ আদানি গ্রুপের কয়েকজন নির্বাহীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে, আদানি গ্রিন এনার্জির উৎপাদিত বিদ্যুৎ কেনার ব্যবস্থা করতে ভারতীয় কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার পরিকল্পনায় জড়িত ছিলেন তাঁরা।

জ্বালানি উপদেষ্টা বলেছেন, আদানি গ্রুপের সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচিত সরকার।

যুক্তরাষ্ট্রে ঘুষ প্রদান ও প্রতারণার দায়ে আদানির বিরুদ্ধে সমন জারি করেছিল এসইসি।

ভারতের আলোচিত ব্যবসায়ী গৌতম আদানি ও তাঁর ভাতিজা সাগর আদানির বিরুদ্ধে আনা সব ফৌজদারি অভিযোগ স্থায়ীভাবে প্রত্যাহার করে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ।

জাতীয় সংসদে আদানি গ্রুপের সঙ্গে বিদ্যুৎ চুক্তি নিয়ে সরকারের অবস্থান জানিয়েছেন বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। জ্বালানি সংকট, গ্যাস ঘাটতি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামোসহ বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়েছে। সংসদে জ্বালানি সরবরাহ ও শব্দচয়ন নিয়েও বিতর্ক হয়।

বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিগুলো সংশোধন করা দরকার।

বকেয়া বিল দ্রুত পরিশোধের তাগাদা দিয়ে পিডিবিকে চিঠি পাঠিয়েছে আদানি। বকেয়া শোধ না হলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে হুঁশিয়ার করেছে ভারতীয় কোম্পানিটি।

আদানির বন্ধ ইউনিট আবার চালুর ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বৃদ্ধি পায়, লোডশেডিং কমতে শুরু করে।

গরম বাড়ছে, তার সঙ্গে বাড়ছে বিদ্যুতের চাহিদা। চাহিদামতো সরবরাহে হিমশিম খাচ্ছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। এর মধ্যে ভারতীয় কোম্পানি আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট কারিগরি কারণে বন্ধ হয়ে গেছে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী বরাবর পাঠানো চিঠিতে তারিখ লেখা ১৭ এপ্রিল। তবে চিঠিটি ১৯ এপ্রিল মন্ত্রণালয়ে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে দায়িত্বশীল সূত্র।