
আওয়ামী লীগ দুই বছরে কতটা বদলাল
পঁচাত্তর–পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের ভেতর দলাদলি কিংবা সংগঠনটিতে ফাটল ধরলেও এবার এই সংকটে তেমনটা আমরা দেখতে পাইনি।

পঁচাত্তর–পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের ভেতর দলাদলি কিংবা সংগঠনটিতে ফাটল ধরলেও এবার এই সংকটে তেমনটা আমরা দেখতে পাইনি।

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে অন্তর্বর্তী সরকারের করা সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশকে স্থায়ী আইনে রূপ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে দৈনিক মুক্তকণ্ঠ ৩ এপ্রিল জানিয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১৬টি শিগগিরই অকার্যকর হয়ে যেতে পারে। এসবের মধ্যে বিচারক নিয়োগ, গুম প্রতিরোধ, মানবাধিকার কমিশন ও দুদকের ক্ষমতা বাড়ানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে।

শাস্তিমূলক আইন যদি দ্রুত প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়, কিন্তু বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও জবাবদিহিমূলক কাঠামো দুর্বল থাকে, তাহলে আইন নিজেই নিরপেক্ষতা হারিয়ে রাজনৈতিক হাতিয়ারে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে দল নিষিদ্ধের খেলা চলছে দীর্ঘদিন। আওয়ামী লীগের সাম্প্রতিক নিষেধাজ্ঞা ইতিহাসের অদ্ভুত প্যারাডক্স তৈরি করেছে, যখন জামায়াত সংসদে বসে। এই প্রবণতার পেছনে রাজনৈতিক কৌশল কী?

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গত দুই সপ্তাহে সারা দেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের এক ডজনের বেশি কার্যালয় খোলা হয়েছে।

জাহিদ আহসান বলেন, আওয়ামী লীগ চেষ্টা করেছে জাতীয় পার্টির মাধ্যমে তারা নির্বাচন করবে।

দেশের ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ লোক শহরে বা পৌর এলাকায় বাস করে। তারাই দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি আর সংস্কৃতি ঠিক করে দেয়।

জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের ‘ফেরা’ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের এক উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের ফেসবুক পোস্ট নিয়ে আলোচনার মধ্যে এ নিয়ে কথা বলেছেন আরেক উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল।

এখন জরুরি প্রশ্ন হচ্ছে, আওয়ামী লীগ কি আসলেই ‘ফিরে এসেছে’? ২ জুন মুক্তকণ্ঠয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক আলতাফ পারভেজের ‘নিষিদ্ধ দল যখন টক অব দ্য কান্ট্রি’ শীর্ষক একটি অভিমত প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, গ্রাম-শহর সর্বত্র নাকি আওয়ামী লীগের ফেরার আলাপ শুরু হয়ে গেছে!

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগ কার্যত বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফিরে এসেছে বলে মনে করছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান এসব কথা বলেন।

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়া সুবর্ণা ঠাকুর কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।