
অপতথ্য রোধ করে এখন সঠিক তথ্য নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ: তথ্যমন্ত্রী
তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে অপতথ্য রোধ করে পরিচ্ছন্ন তথ্য নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে অপতথ্য রোধ করে পরিচ্ছন্ন তথ্য নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ।

সাক্ষাৎকালে ইউনেসকোর প্রতিনিধি বাংলাদেশে সংস্থাটির চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্যমন্ত্রীকে বিস্তারিত জানান।

তথ্যমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন মানবিক বিষয়ে তুরস্কের সমর্থনের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

সত্যের সঙ্গে মিথ্যা মিশিয়ে তথ্য প্রচার বড় ঝুঁকি বয়ে আনছে।

বাংলাদেশে নারী ও শিশুদের ওপর নির্যাতন এখন আলোচিত বিষয়। এ নিয়ে অপতথ্যও ছড়াচ্ছে বেশি। দেশের তথ্য যাচাইকারী প্ল্যাটফর্মগুলো গত এক সপ্তাহে যে শতাধিক অপতথ্য শনাক্ত করেছে, তার মধ্যে এমন ঘটনাই বেশি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল ফেসবুকে ছড়ানো অপতথ্য তদন্তের অগ্রগতি জানতে উপাচার্য কার্যালয়ে গিয়ে আশ্বাস পেয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের তেমন কোনো ব্যবস্থা দেখা যায়নি। বিশ্লেষকেরা বলছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অপতথ্য ঠেকাতে প্রস্তুতি দরকার।

ইন্টারনেট বন্ধ বা গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের মতো পদক্ষেপ অনেক সময় পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করতে পারে।

তথ্য মন্ত্রণালয় ডিজিটাল মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য রোধ ও জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর জন্য প্রকল্প হাতে নিয়েছে।

ফেসবুকে ভুয়া তথ্য ছড়ানোর ক্ষেত্রে ফটোকার্ড হয়ে উঠেছে বড় হাতিয়ার। আর ভুয়া তথ্যগুলো বিশ্বাসযোগ্য করতে কার্ডগুলো তৈরি করা হচ্ছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের কার্ডের আদলে।

দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার জন্য একটি সংকট হয়ে দেখা দিয়েছে হাম। এই সংকটের বিস্তার ঘটেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও। হাম নিয়ে নানা অপতথ্যে সয়লাব এখন ফেসবুক। দেশের পাশাপাশি বিদেশের ঘটনাবলি নিয়েও অপতথ্যের কমতি নেই। ভারতের তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন, এমন গুজবও ছড়িয়েছে।

এই ৪০ দিনে হামলা-পাল্টাহামলার মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া তথ্যের বন্যা দেখার কথা জানিয়েছে বিবিসি। বাংলাদেশভিত্তিক তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধের মধ্যে ছড়ানো ভুয়া তথ্যের দিকে নজর রাখে।