ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে করা একটি মামলার বিচার সাড়ে চার বছরেও শেষ না হওয়ায় হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের এক বিচারককে তলব করেছেন হাইকোর্ট। বিলম্বের বিষয়ে ব্যাখ্যা জানাতে হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩-এর বিচারককে ২৩ জুন আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে।

বিচারপতি কে এম ইমরুল কায়েশ ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন। ওই মামলার আসামি গোলাম হোসেনের জামিন আবেদনের শুনানিতে বিষয়টি নজরে এলে আদালত স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ওই আদেশ দেন বলে জানান ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ মহসিন কবির।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ মহসিন কবির, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. জসীম উদ্দিন, আল রেজা মো. আমির ও ইশরাত জাহান। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. আবদুর রাজ্জাক ও আবদুল জলিল।

পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ মহসিন কবির মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থানায় ২০২১ সালের ২৮ ডিসেম্বর একটি মামলা হয়। প্রায় সাড়ে চার বছর হয়ে গেছে, মামলাটির বিচার শেষ হয়নি—এ বিষয়ে ব্যাখ্যা জানাতে হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩-এর বিচারক সৈয়দা মিনহাজ উম মুনীরাকে ২৩ জুন আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছেন।

আসামি গোলাম হোসেনের আইনজীবী মো. আবদুর রাজ্জাক মুক্তকণ্ঠকে বলেন, মামলায় ধর্ষণ ও ভুক্তভোগীকে গলায় চাকু মেরে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন হয়ে গেছে, এই মামলায় অভিযোগ গঠনের পর কোনো সাক্ষী আসেনি।