ঈদুল আজহায় ‘রকস্টার’ সিনেমা দিয়ে অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করছেন সংগীতশিল্পী সুনিধি নায়েক। সিনেমাটি নিয়ে গত শুক্রবার তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন মকফুল হোসেন
.আপনাকে টিজারে দেখে কাছের মানুষজন কী বলছেন?
.সুনিধি নায়েক: মানুষজন তো ক্রেজি। আমি খুবই খুশি, মানুষ আমার কাজ দেখে আমার প্রশংসা করছে। আমি চেয়েছিলাম, মানুষ আগে কাজটা দেখুক। আগে থেকে বেশি বলাবলি না করি।
.ক্যারিয়ারের প্রথম সিনেমায় সহশিল্পী হিসেবে শাকিব খানকে পেলেন...
.সুনিধি নায়েক: উনি তো একজন মেগাস্টার। উনি এমন একটা মানুষ, ওনার সঙ্গে যে কেউ কাজ করতে চায়। ওনার সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করাটা আ ব্লেসিং ইন ইটসেলফ।
উনি যে এত বড় একজন মেগাস্টার, এত ফানি ইন আ ওয়ে। কাজের ক্ষেত্রে অনেক ডেডিকেটেড। একটা সিন পারফেক্ট না হওয়া অবধি লেগে থাকেন। উনি খুবই ভালো। ওনার সঙ্গে কাজ করার এক্সপেরিয়েন্স খুবই ভালো।
আপনি গানের মানুষ, সিনেমায় আপনার কোনো গান থাকছে?
সুনিধি নায়েক: না, সিনেমায় আমার কোনো গান নেই।
.সুতি শাড়িতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি: সুনিধি নায়েক.প্রথমবার বড় পর্দায় দেখা যাবে আপনাকে। বিষয়টি নিয়ে কোনো চাপ অনুভব করছেন?
.সুনিধি নায়েক: আমি চাপ ফিল করছি না। আমার মনে হয়, আমার জীবনের সব কাজই তো আর ভালো হবে না, তা–ই না? আমি তো একটার পর একটা কাজ করেই যাব। মানুষজন আমার কাজ দেখে প্রশংসা করতে পারেন, মানুষজন আমার কাজকে খারাপও বলতে পারেন। দুটোই অ্যাকসেপ্টেবল। সো, শুধু কাজ নিয়েই কথা হোক, আমি এটাই চাই। খারাপ হোক, ভালো হোক—এটাই।
.সিনেমাটির সঙ্গে যুক্ত হলেন কীভাবে?
.সুনিধি নায়েক: ডিরেক্টর (আজমান) রুশো আমাকে ডেকেছিল। তখন সিনেমার স্ক্রিপ্ট লেখা চলছিল। এর আগে থেকে কয়েকটা সিনেমায় আমার ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্টের কাজ চলছে। দুই–তিন মাসের মধ্যে রুশোর কাজটা হুট করে হয়ে গেল। দু–এক বছর ধরে আরও সিনেমা করছি। কিন্তু এই কাজটা প্রথমে রিলিজ পাচ্ছে। এই বছর কিংবা আগামী বছর আরও সিনেমা আসবে।
.তাহলে বেশ আটঘাট বেঁধেই সিনেমায় নেমেছেন?
.সুনিধি নায়েক: আমি তো ড্যান্স ড্রামা নিয়ে পড়াশোনা করেছি। ইউনিভার্সিটি লাইফে ড্যান্স ড্রামা করেছি। এটাও তো একধরনের ফর্ম অব আর্ট। একটাই জীবন, যে জিনিসগুলো করতে পারি, সেটা তো আমি করব। আর বেশি ভাবনাচিন্তা কিছু নেই। ভালো কাজ করতে চাই।
.রবীন্দ্রসংগীতও এমনভাবে করি যেন জেন-জিরাও শোনে.গানের বাইরে আপনাকে বড় পর্দায় নিয়মিত পাওয়া যাবে?
.সুনিধি নায়েক: খুব নিয়মিত পাব, আমার মনে হয় না। আমি কয়েকটা সিলেক্টিভ কাজ করতে চাই। মিউজিক বানানোটা আমার জীবনের প্রথম প্রায়োরিটি। জীবনে আমি বেশি কিছু চাইনি; আমি চেয়েছি, আমি নিজের বাসায় এক কোণে পড়ে থেকে শান্তিতে মিউজিক বানাব—এটা আমার স্বপ্ন, এটাই আমি সারা জীবন করতে চাই। মিউজিকটা আছে। সঙ্গে এইটাও (অভিনয়) করছি, করতে ভালো লাগছে। ভালো স্ক্রিপ্ট ও ভালো কাজ করতে ভালো লাগে।
.কার অভিনয় আপনার ভালো লাগে?
.সুনিধি নায়েক: বিদেশি কয়েকজন ডিরেক্টর ও অ্যাক্টরের কাজ ভালো লাগে। যদি বাংলাদেশের কথা বলি, তাহলে আমার খুব প্রিয় একজন অভিনেত্রী জয়া (আহসান) আপু। তাঁর কাজ প্রথম থেকেই অনেক ভালো লাগে। শাকিব ভাই তো আছেনই। তিনি তো মেগাস্টার। তাঁর কথা তো আসলে আলাদা করে কিছু বলার নেই। তাঁর কথা তো সবার প্রথমে আসে।
.সিনেমাটি ঈদে মুক্তি পাচ্ছে, ঈদে আপনার পরিকল্পনা কী?
.সুনিধি নায়েক: কোরবানির ঈদে আমি এখানে (কলকাতা) চলে যাই। যেহেতু এই বছর ঈদে ফিল্মটা রিলিজ হবে, ঢাকায় থাকব। সিনেমা হলে এক-দুবার যাব দর্শকের রিঅ্যাকশন দেখতে। আমি ঈদে বাসার খাবার খাব, বাসায় ঘুমাব।






