ঈদ উৎসবে আমরা উচ্চ ক্যালরিযুক্ত নানা ধরনের খাবার খাই। ঈদুল আজহা হলে তো কথাই নেই। নানা রকমের মাংসের পদ তো থাকেই, সঙ্গে থাকে তৈলাক্ত নানা খাবার। এ ধরনের খাবার খাওয়ার পর বদহজম হতেই পারে। খাবার খাওয়ার পর কিছু কাজ করলে হজম ভালো হয় এবং সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে, জানা যাক এ বিষয়ে।

.
  • যত রিচ ফুডই খান না কেন, টেবিলে কিছু শাকসবজি, ফল, সালাদ রাখুন।

  • মাংস বেশি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে, তাই প্রচুর পানি খান। ইসবগুলের ভুসি খেতে পারেন।

  • খাবার ভালো করে চিবিয়ে খান। তাড়াহুড়া করে খাবেন না।

  • নানা রকম ভেষজ, যেমন আদাকুচি, জিরা, হলুদ, খাবার বা পানীয়র সঙ্গে খান।

  • দুশ্চিন্তা এড়ানোর চেষ্টা করুন। স্ট্রেস অনেক সময় বদহজমের কারণ।

.উৎসবে ডায়াবেটিস রোগীর প্রস্তুতি.
  • কোনো বিশেষ খাবার খেলে হজমের সমস্যা হয় কি না। দরকার হলে সেই বিশেষ খাবার এড়িয়ে চলুন।

  • খাওয়ার ঠিক আগে, খাওয়ার সময় বা খাওয়ার ঠিক পরপর পানি খেলে হজমের এনজাইমগুলো ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। অন্তত আধা ঘণ্টা আগে বা পরে পানি খাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন।

  • খাওয়ার এক ঘণ্টা পর একটু হাঁটার চেষ্টা করুন।

  • ডায়াবেটিস থাকলে এবং অনেক দিন অনিয়ন্ত্রিত থাকলে রাতে পেট খারাপ হতে পারে। এটা ডায়াবেটিসের একটি জটিলতা। তাই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে চেষ্টা করুন।

  • দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ আইবিএস বা ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোমের উপসর্গ বাড়ায়। এ ক্ষেত্রে আপনি মেডিটেশন করতে পারেন, চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এ সমস্যা থেকে নিস্তার পেতে পারেন।

  • যতটা পারেন ঝালমুক্ত সহজপাচ‍্য খাবার খান।

  • ছয় মাস পরপর কৃমিনাশক ওষুধ খাবেন, কিন্তু গর্ভাবস্থায় এটা কখনো খাবেন না।

  • যাঁদের ছোটবেলা (ছয় মাস বয়স) থেকেই হজমের সমস্যা, তাঁরা গমজাত খাবার এড়িয়ে চলবেন, গমের গ্লুটেনে তাঁদের সমস্যা থাকতে পারে।

  • যাঁদের ল‍্যাকটোজ ইনটলারেন্স আছে, তাঁরা আবার দুধজাতীয় খাবার হজম করতে পারেন না। তাঁদের ল‍্যাকটোজ ফ্রি দুধ খেতে হবে।

  • এ ছাড়া তৈলাক্ত খাবার খেলে সমস্যা দেখা দিলে পিত্তথলি, অগ্ন্যাশয়ে কোনো সমস্যা আছে কি না, তা জানতে হবে।

.গাড়িতে বা বাসে উঠলেই বমি হয়? মেনে চলুন এই নিয়মগুলো