বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে ভাসমান হোটেলগুলো আসলে পুরোনো লঞ্চ। এককালে এগুলো বিভিন্ন নৌরুটে যাত্রী বহন করত। সারাদিন যাত্রীদের ভিড় আর কর্মীদের হাঁকডাকেই মুখরিত থাকত এই লঞ্চগুলো। বছরের পর বছর চলাচলের পর চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। যাত্রী বহনের জন্য অযোগ্য হওয়ার পর এই লঞ্চগুলোর নতুন পরিচয় ‘অস্থায়ী আবাসিক হোটেল’। মিটফোর্ড হাসপাতালের বিপরীতে এমন একটি ভাসমান হোটেলের একজন ম্যানেজার জানান, সিঙ্গেল সিটের ভাড়া ৫০ টাকা এবং কেবিনের ভাড়া ১৫০ টাকা।

জার্মানি ভ্রমণ: উলম শহর-আলবার্ট আইনস্টাইনের জন্মস্থানে যা যা দেখলাম
৩০ জুন, ২০২৬ এ ১০:২৪ পূর্বাহ্ণ





